Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
West Bengal Assembly Election 2026: ভোট গণনায় শুধুই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, হাইকোর্টে ধাক্কা খেয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল

West Bengal Assembly Election 2026: ভোট গণনায় শুধুই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, হাইকোর্টে ধাক্কা খেয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল

রাজ্য সরকারি কর্মীদের বাদ দিয়ে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় কর্মীদের দিয়ে ভোট গণনা (West Bengal Assembly Election 2026) করানোর সিদ্ধান্তে গত বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিলমোহর দেয় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে রিট পিটিশন দাখিল করেছিল, আদালত তা খারিজ করে দিয়ে জানায়, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিশনের এই ধরণের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর বিচারবিভাগের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।

হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবং ভোট গণনার কাজে রাজ্য সরকারি কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে আজ সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ আবেদন দাখিল করল তৃণমূল কংগ্রেস। আগামী ৪ মে ভোট গণনা, তাই বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি বিবেচনা করে কাল সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকলেও বিশেষ শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে।

কাউন্টিং সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

কলকাতা হাইকোর্ট তার রায়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে ভোট গণনা প্রক্রিয়ায় কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ করা আদালতের সাজে না。 আদালতের মতে, কাউন্টিং সুপারভাইজার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত এবং এই সিদ্ধান্তে আইনি কোনও অবৈধতা নেই। বিচারপতিরা পর্যবেক্ষণ করেছেন যে নির্বাচন কমিশনের হ্যান্ডবুকে এমন কোনও নির্দিষ্ট বা বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই যা এই নির্বাচনকে শুধুমাত্র রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে বাধ্য করে। ফলে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (ACEO) জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের আওতায় এই ধরণের কেন্দ্রীয় কর্মী নিয়োগের নির্দেশ জারি করার পূর্ণ বৈধ অধিকার ও ক্ষমতা রাখেন এবং এই নির্দেশটি তাঁর এক্তিয়ারের বাইরে নয়।


স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে আদালতের কড়া অবস্থান

তৃণমূলের পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল যে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক প্রভাবে কাজ করতে পারেন, যা ভোট গণনার নিরপেক্ষতাকে নষ্ট করবে। তবে হাইকোর্ট এই যুক্তিকে নিছক 'আশঙ্কা' বা 'ভিত্তিহীন জল্পনা' বলে উড়িয়ে দিয়েছে। আদালতের যুক্তি ছিল যে গণনা কক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রশিক্ষিত পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি থাকে। এছাড়াও মাইক্রো অবজারভার এবং সিসিটিভি ক্যামেরার কড়া নজরদারি থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ হওয়া বাধ্যতামূলক। শাসক দলের এই অভিযোগগুলি কেবল কাল্পনিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এর সপক্ষে কোনও জোরালো বা অকাট্য প্রমাণ নেই বলেই আদালত মনে করে।

আইনি লড়াইয়ের ভবিষ্যৎ ও জরুরি শুনানির আর্জি

আদালত তার রায়ে আরও মনে করিয়ে দিয়েছে যে চলতি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাঝপথে বিচারবিভাগের বিশেষ হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। যদি কোনও রাজনৈতিক দল এই প্রক্রিয়া নিয়ে বাস্তবে অসন্তুষ্ট থাকে, তবে তারা নির্বাচনের পর জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৯৫১ সালের ধারা ১০০ অনুযায়ী নির্বাচনী পিটিশনের মাধ্যমে নিজেদের অভিযোগ আইনি পথে উত্থাপন করতে পারে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, ৪ মে গণনার তারিখ নির্ধারিত থাকায় এখনই এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। কাল সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকলেও পিটিশনে জরুরি ভিত্তিতে কালই শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে। এখন গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর শীর্ষ আদালতের দিকে, কারণ তাঁদের নির্দেশের ওপরই নির্ভর করছে আসন্ন নির্বাচনের গণনার চূড়ান্ত পরিকাঠামো।

Read more news like this on bengali.timesnownews.com

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Times Now khabar