Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
"গরু চুরি এবং চোরাচালানের সমস্যা"-কাঁটাতারের বেড়া বসাতে স্বেচ্ছায় জমি দিলেন গ্রামবাসীরা

"গরু চুরি এবং চোরাচালানের সমস্যা"-কাঁটাতারের বেড়া বসাতে স্বেচ্ছায় জমি দিলেন গ্রামবাসীরা

tips24 1 week ago

জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এক নজিরবিহীন উদাহরণ সৃষ্টি করলেন কোচবিহারের সাতগ্রাম মানবাড়ি এলাকার গ্রামবাসীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনুপ্রবেশ, গবাদি পশু চুরি এবং চোরাচালানের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তাঁরা স্বেচ্ছায় বিএসএফ-কে (BSF) কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি দান করলেন।

কেন এই পদক্ষেপ? স্থানীয় ভূমিদাতা বিকাশ রায় জানিয়েছেন, কাঁটাতারের অভাব দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের জন্য এক বড় বিড়ম্বনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। রাতের অন্ধকারে ওপার থেকে অনুপ্রবেশকারীদের অবাধ যাতায়াত, গবাদি পশু চুরি এবং ফসলের ক্ষতির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল জীবন। বিকাশ রায়ের কথায়, "আমরা জমি দিয়েছি যাতে গ্রামের মানুষ এবং দেশ-উভয়ই সুরক্ষিত থাকে। এই বেড়া তৈরি হলে অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ হবে।" তাঁর আত্মীয় হৃদয় বর্মনের মতে, এটি কেবল স্থানীয় নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং সমগ্র ভারতের নিরাপত্তার স্বার্থে এই বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি।

রাজ্য সরকারের নীতিগত পরিবর্তন ক্ষমতায় আসার পরপরই নতুন রাজ্য সরকার জাতীয় নিরাপত্তাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই রাজ্য সরকার সীমান্ত সুরক্ষার কাজকে ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই গত ২৮ মে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফ-এর হাতে ১৪২.৭৯ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। সরকার ১১ মে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ৬০০ একর জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে সীমান্ত বরাবর 'স্মার্ট ফেন্সিং' বা কাঁটাতারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।

মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা আজ সকালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বিএসএফ-এর ফাঁড়ি নির্মাণ এবং কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং সীমান্তবর্তী কৃষকদের সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে রাজ্য সরকার বিএসএফ-এর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় রেখে কাজ করছে।

সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা দেশের সামগ্রিক সুরক্ষার পথে এক বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল। এখন সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ হলেই কোচবিহারের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার অবসান ঘটবে বলে আশা করছেন গ্রামবাসীরা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tips 24