Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার অন্নপূর্ণা যোজনা! মাসে ৩০০০ টাকা পেতে কীভাবে করবেন আবেদন? জেনে নিন নতুন নিয়ম

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার অন্নপূর্ণা যোজনা! মাসে ৩০০০ টাকা পেতে কীভাবে করবেন আবেদন? জেনে নিন নতুন নিয়ম

tips24 4 months ago

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম 'অন্নপূর্ণা যোজনা' নিয়ে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এতদিন এই প্রকল্পের ফর্ম অফলাইনে পাওয়া গেলেও, এবার সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া। যোগ্য আবেদনকারীদের জন্য আগামী ৯০ দিন পর্যন্ত খোলা থাকবে এই ডিজিটাল পোর্টাল।

যারা রাজ্যের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা নিতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য এই ৯০ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রতিটি পরিবারকে একটি 'ফ্যামিলি লেভেল ডেটা কালেকশন ফর্ম' পূরণ করতে হবে। এটি কোনো সাধারণ ফর্ম নয়, বরং ১২ পাতার একটি বিস্তারিত নথিপত্র। আবেদনকারীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই ফর্ম পূরণ করতে হবে। কারণ, সরকারি যাচাইকরণ বা ভেরিফিকেশনের সময় সামান্য ভুল তথ্য ধরা পড়লে সরাসরি সুবিধা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকি, যারা আগে থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তাদেরও নতুন করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা তৈরির জন্য সরকারের তরফে কঠোর ভেরিফিকেশন করা হবে এবং এর পরেই যোগ্য প্রাপকরা মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।

অনলাইনে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীদের সরাসরি রাজ্য সরকারের অফিসিয়াল পোর্টাল https://socialsecurity.wb.gov.in/-এ লগইন করতে হবে। পোর্টালে মোবাইল নম্বর দিয়ে নাম রেজিস্টার করার পর নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে ফর্ম ফিল আপ করতে হবে। ফর্মটি পূরণ করার পর তা স্ক্যান করে প্রয়োজনীয় নথিসহ পোর্টালেই আপলোড করতে হবে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
আবেদন করার সময় সাথে রাখতে হবে- [আধার কার্ড রেড্যাক্টেড], ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই বা অ্যাকাউন্টের বিবরণ, বসবাসের প্রমাণপত্র হিসেবে বিদ্যুৎ বা জলের বিল এবং পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

এই নতুন নিয়মবিধি প্রসঙ্গে রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, স্বচ্ছতা বজায় রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, "আমরা আগে ভেবেছিলাম ফর্মের প্রয়োজন নেই, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকরাই এর সুবিধা পাবেন। কিন্তু বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবির প্রেক্ষিতে দেখা গেছে তালিকায় প্রচুর ভুয়ো নাম রয়েছে। সেই দুর্নীতি রুখতেই এই বিস্তারিত ১২ পাতার ফর্মের ব্যবস্থা করা হয়েছে।"

এই দীর্ঘ ফর্মে আবেদনকারীকে নিজের ও পরিবারের সম্পর্কে নানা খুঁটিনাটি তথ্য দিতে হচ্ছে। যেমন- পরিবার নিয়মিত রেশন তোলে কি না, পরিবারের তিনটির বেশি পাকা ঘর আছে কি না, মোট জমির পরিমাণ, চারচাকা গাড়ির মালিকানা, স্বাস্থ্যবিমা আছে কি না এবং পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থানের উৎস কী-এই সমস্ত বিষয় স্পষ্ট করতে হবে। ৯০ দিনের এই সময়সীমার মধ্যে যারা সঠিকভাবে তথ্য জমা দেবেন, তাদেরই ভেরিফিকেশনের পর এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হবে। তাই অযথা বিলম্ব না করে দ্রুত সঠিক নথিসহ অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tips 24