Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

নীল জলরাশিতে ভারতের একাধিপত্য! জলদানব মহেন্দ্রগিরির ভয়ে কি পিছু হটবে শত্রু দেশ? জানুন এর বিধ্বংসী ক্ষমতা

tips24 2 weeks ago

ভারত মহাসাগরে দাপট বাড়তে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর। শনিবার নৌসেনার হাতে এল প্রজেক্ট-১৭এ-এর অধীনে নির্মিত চতুর্থ এবং অত্যন্ত শক্তিশালী স্টেলথ ফ্রিগেট 'মহেন্দ্রগিরি'। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জাহাজ নির্মাণ সংস্থা মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড (MDL) আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধজাহাজটি নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছে।

শীঘ্রই এটি 'আইএনএস মহেন্দ্রগিরি' নামে কমিশন লাভ করবে এবং দেশের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় মোতায়েন হবে।

শত্রুর রাডারের চোখে ধুলো দেবে 'মহেন্দ্রগিরি' মহেন্দ্রগিরির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর 'স্টেলথ' প্রযুক্তি। অর্থাৎ, সমুদ্রের বুক দিয়ে ছুটে চললেও শত্রুর রাডার সহজে একে শনাক্ত করতে পারবে না। প্রায় ১৪৯ মিটার লম্বা এই যুদ্ধজাহাজটির ওজন ৬,৭০০ টনের কাছাকাছি। এটি ২৮ নটেরও বেশি গতিতে ছুটতে সক্ষম এবং এক নাগাড়ে ১৫০ থেকে ১৮০ জন নাবিক নিয়ে সুদূর সমুদ্রাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অভিযান চালাতে পারে।

অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত জলদানব মহেন্দ্রগিরি কোনো সাধারণ জাহাজ নয়, এটি ভাসমান এক দুর্গ। এর অস্ত্রভাণ্ডারে রয়েছে:

  • ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল: যা সমুদ্র এবং স্থল- উভয় জায়গাতেই নিখুঁত নিশানা হানতে সক্ষম।

  • অ্যান্টি-এয়ার মিসাইল সিস্টেম: আকাশপথে শত্রুর বিমান বা ড্রোন হামলা রুখে দিতে এতে রয়েছে দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল।

  • ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী ক্ষমতা: ডুবোজাহাজ ধ্বংস করার জন্য এতে রয়েছে উন্নত টর্পেডো ও রকেট লঞ্চার।

  • অত্যাধুনিক রাডার: এতে যুক্ত করা হয়েছে উন্নত AESA রাডার ও সেন্সর, যা নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধে ভারতীয় নৌবাহিনীকে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে।

আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেডের তৈরি এই ফ্রিগেটটি 'মেক ইন ইন্ডিয়া' প্রকল্পের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে সময় ও খরচ দুই-ই কমানো হয়েছে মডিউলার প্রযুক্তির মাধ্যমে। নৌবাহিনী সূত্রে খবর, এই প্রজেক্ট ১৭এ-এর অধীনে মোট ৭টি এমন অত্যাধুনিক ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে, যা আগামী দিনে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের একাধিপত্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

শনিবার জাহাজটি হস্তান্তরের সময় এমডিএল-এর চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন জগমোহন (অবসরপ্রাপ্ত) এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল গৌতম মারওয়াহা এক বিশেষ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এই মুহূর্তে দক্ষিণ চীন সাগর ও ভারত মহাসাগরে চিনা নৌবাহিনীর তৎপরতা যে হারে বাড়ছে, তাতে মহেন্দ্রগিরির অন্তর্ভুক্তি ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশলে এক বড়সড় 'মাস্টারস্ট্রোক' বলেই মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tips 24