Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনে ভুল করেও লাড্ডু গোপালকে এই জিনিসগুলি দেবেন না! কি বলছে শাস্ত্র?

শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনে ভুল করেও লাড্ডু গোপালকে এই জিনিসগুলি দেবেন না! কি বলছে শাস্ত্র?

tips24 1 week ago

নাতন ধর্মে জন্মাষ্টমী উৎসব অত্যন্ত উৎসাহ এবং ভক্তির সঙ্গে উদযাপিত হয়। এই পবিত্র দিনে ভক্তরা নিজেদের গৃহে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বালরূপ বা লাড্ডু গোপালের জন্মোৎসব পালন করে থাকেন এবং বিশেষ আরাধনা করেন। কানাইয়াকে প্রসন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার এবং মিষ্টান্ন নিবেদন করা হয়।

যেহেতু ভগবান কৃষ্ণকে এখানে শিশু হিসেবে পুজো করা হয়, তাই তাঁর সেবা, ভক্তি এবং খাদ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে পবিত্রতা ও সাত্ত্বিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে, এমন কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য ও উপাদান রয়েছে যা কখনই লাড্ডু গোপালকে নিবেদন করা উচিত নয়। যদি কেউ অজ্ঞতাবশত বা অজান্তেও এই নিষিদ্ধ জিনিসগুলি তাঁর ভোগে নিবেদন করে ফেলেন, তবে সেই ব্যক্তির ব্রত এবং পুজো অসম্পূর্ণ বলেই গণ্য করা হয়। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বিস্তারিত জেনে নেব জন্মাষ্টমীর দিনে বাল গোপালের ভোগে কোন কোন জিনিসগুলি সম্পূর্ণভাবে বর্জন করা উচিত।

প্রথমত, লাড্ডু গোপালকে অতিরিক্ত টক ফল নিবেদন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। শ্রীকৃষ্ণের শিশু স্বরূপের সেবায় অত্যন্ত টক জাতীয় ফল বা উপাদান উপযুক্ত বলে মনে করা হয় না। তাই জন্মাষ্টমীর দিন লাড্ডু গোপালকে টক জাতীয় কোনো খাবার বা ফল ভোগে দেবেন না।

দ্বিতীয়ত, তুলসী পাতা ছাড়া লাড্ডু গোপালের ভোগ সম্পূর্ণ হয় না। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, শ্রীকৃষ্ণ তুলসী পাতা ছাড়া কোনো নৈবেদ্য বা ভোগ গ্রহণ করেন না। তাই যেকোনো খাবারের থালায় বা নৈবেদ্যে অবশ্যই পবিত্র তুলসী পাতা দিয়ে তা নিবেদন করতে হবে।

তৃতীয়ত, রসুন, পেঁয়াজ ও হিংযুক্ত খাবার ভোগে পরিবেশন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জন্মাষ্টমীর উপবাস ও পূজায় আমিষ বা তমসিক উপাদানের কোনো স্থান নেই। এছাড়া রসুন, পেঁয়াজ এবং হিংয়ের মতো উপাদানগুলিকে অত্যন্ত অশুভ ও অপবিত্র বলে গণ্য করা হয়।

চতুর্থত, তামার পাত্রে দুধ বা দুধের তৈরি কোনো খাবার রাখা বা নিবেদন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। জন্মাষ্টমীতে লাড্ডু গোপালকে সাধারণত পঞ্চামৃত বা দুধ দিয়ে অভিষেক করা হয়। তবে সর্বদা খেয়াল রাখতে হবে, দুধ বা দুধের কোনো পদ যেন কখনই তামার পাত্রে রাখা না হয়। তামার সংস্পর্শে আসার পর দুধ বিষাক্ত বা দূষিত হয়ে যেতে পারে, যা দেবতাকে নিবেদন করা একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়। এই নিয়মগুলি মেনে চললে পুজোর সম্পূর্ণ পুণ্যলাভ করা সম্ভব।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tips 24