Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
তৃণমূল বিধায়কের গোডাউনে সরকারি কম্বল-ত্রিপলের মজুত! বিক্ষোভের আগুনে উত্তাল মধ্য হাওড়া

তৃণমূল বিধায়কের গোডাউনে সরকারি কম্বল-ত্রিপলের মজুত! বিক্ষোভের আগুনে উত্তাল মধ্য হাওড়া

tips24 2 weeks ago

রকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে আবারও রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াল হাওড়ায়। প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে সরকারি কম্বল, ত্রিপল এবং অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী মজুত থাকা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। শনিবার সকালে এই সামগ্রীগুলি ম্যাটাডোরে করে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সময় বিজেপি কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান অভিযোগ, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণ সামগ্রী দীর্ঘদিনের বেশি সময় ধরে বিধায়কের ব্যক্তিগত গোডাউনে কেন মজুত ছিল? এই সামগ্রী গোপনে পাচার করার উদ্দেশ্যেই সরানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা এবং বিজেপি সমর্থকরা অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে 'চোর চোর' স্লোগান দিতে শুরু করেন। ঘটনার আকস্মিকতায় মুহূর্তের মধ্যে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হাওড়া থানার পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা এবং উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে পুলিশ প্রশাসন অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে এবং কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়। তিনি জানান, ওই সামগ্রীগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করার জন্য তাঁর কাছে সংরক্ষিত ছিল। তিনি আরও দাবি করেন, জেলাশাসককে তিনি আগেই চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, এই ত্রাণ সামগ্রীগুলি আর প্রয়োজন নেই। জেলাশাসকের নির্দেশ অনুযায়ীই সেগুলি সরকারি দপ্তরে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। অরূপ রায়ের কথায়, "বিজেপি অকারণে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য আমাকে হেনস্থা করছে। সবটাই প্রশাসনিক নির্দেশে হচ্ছে।"

হাওড়ার জেলাশাসক পি. দিপাপ্রিয়াও অরূপ রায়ের এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিধায়ক তাঁকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন এবং সামগ্রীগুলি জেলা প্রশাসনের দপ্তরে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

জেলা প্রশাসনের এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির অভিযোগ, প্রশাসনিক নির্দেশ থাকলেও তা কীভাবে এতদিন ব্যক্তিগত গোডাউনে পড়ে ছিল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। তারা এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। সরকারি ত্রাণ সামগ্রী সাধারণ মানুষের হাতে না পৌঁছে কেন ব্যক্তিগত হেফাজতে ছিল, তার জবাব চেয়ে গেরুয়া শিবির প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গোটা ঘটনার পর হাওড়ার রাজনৈতিক মহলে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tips 24