Truth of Bengal: একযোগে দুই রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হলো মেগা লড়াই! বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা থেকে অসম, কেরল এবং পুদুচেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। একদিকে যখন অসমে ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া বিজেপি, তখন কেরলে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে বামেরা। অন্যদিকে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে একাধিক হেভিওয়েটের।
অসমে কি 'হিমন্ত-জাদু' অটুট থাকবে?
অসমে এবার লড়াইটা মূলত মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বনাম কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ-এর। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে নেমেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তবে কংগ্রেসের দাবি, রাজ্যে পরিবর্তনের চোরাস্রোত বইছে। বিশেষ করে অহমীয় মূল নিবাসী ভোটারদের মধ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে একটা চাপা ক্ষোভ রয়েছে বলে দাবি হাত শিবিরের। যদিও বিজেপি এবার '১০০ পার' লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ময়দানে নেমেছে। সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ক হাতে রাখতে লড়ছেন বদরউদ্দিন আজমলও।
- সীমান্ত পেরিয়ে গুয়াহাটিতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী! গ্রেফতার এক দালালও
- একদিনেই উধাও ৮ লক্ষ কোটি টাকা! যুদ্ধের আশঙ্কায় কাঁপছে দালাল স্ট্রিট
কেরলে পিনারাই কি পারবেন 'পরিবর্তন' রুখতে?
দেশের একমাত্র বাম শাসিত রাজ্য কেরলে লড়াই মূলত এলডিএফ এবং ইউডিএফ-এর মধ্যে। তবে এবার সেই দ্বৈরথে তৃতীয় শক্তি হিসেবে নিজেদের জাহির করতে মরিয়া বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা থাকলেও তাঁর ব্যক্তিগত ইমেজের ওপর ভরসা রাখছে বাম শিবির। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কেরল হাতছাড়া হওয়া মানে ভারতের মানচিত্রে বামেদের জন্য বড় অস্তিত্বের সংকট তৈরি হওয়া।
পুদুচেরিতেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
দক্ষিণের এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লড়াই চতুর্মুখী। এনআর কংগ্রেস ও বিজেপির এনডিএ জোটের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে কংগ্রেস-ডিএমকে জোট। তবে টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামীর অভিমান এবং এনডিএ-র অন্দরের কোন্দল- দুই শিবিরকেই অস্বস্তিতে রেখেছে।

