Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'ববিদাকে ফোন করব', ববির ইস্তফার পর 'আসল তৃণমূল' ঋতব্রতর মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

'ববিদাকে ফোন করব', ববির ইস্তফার পর 'আসল তৃণমূল' ঋতব্রতর মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

Truth Of Bengal 3 months ago

Truth of Bengal: বঙ্গে ক্ষমতা বদলের পর তৃণমূলের মহাবিদ্রোহ এবং 'আসল তৃণমূল'-এর উত্থানে প্রতিদিন বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ। বিধানসভার পর এবার কলকাতা পুরসভাতেও তৃণমূলের দুর্গে চূড়ান্ত ধস নামল। দিন কয়েক ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার দুপুরের পর কলকাতা পুরসভার মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম (ববি)।

পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দিতেই কার্যত কলকাতা পুরসভাও হাতছাড়া হলো তৃণমূলের। আর এই ইস্তফার পরই 'ববিদা'-কে ফোন করার বার্তা দিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জল্পনা উসকে দিলেন নবনিযুক্ত বিরোধী দলনেতা তথা বিদ্রোহী শিবিরের প্রধান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুক্রবার বিধানসভার বাইরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন যে, ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ অত্যন্ত পুরনো। ববি হাকিমের ইস্তফা প্রসঙ্গে তিনি বলেন: "ববিদার নিজস্ব সিদ্ধান্ত আমি যতটুকু শুনেছি। আমি তখন একটা কাজ করছিলাম। বাকি যাঁরা ছিলেন তাঁরা বললেন, ববিদার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। ববিদার সঙ্গে আমার এর মধ্যে কথা হয়নি। তবে দেখি যদি হয়, ববিদাকে ফোন করব। ববিদার সঙ্গে আলাপ আমার আজকে নয়; যে বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি, ১৯৯৮ সালে, সেই বছর থেকেই আলাপ। বহু পুরনো আলাপ। আমি এর বেশি আর কিছু আজ বলছি না। আজকে রাতে বা কাল সকালেও ফোন করতে পারি।" ঋতব্রতর এই মন্তব্যের পরই টালমাটাল রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। ৫৯ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে এই মুহূর্তে রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আসল তৃণমূল'। তবে কি এবার ঘুরিয়ে ফিরহাদ হাকিমকেও নিজেদের শিবিরে টানার জন্য প্রস্তাব দিতে চলেছেন ঋতব্রত? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে স্টুডিও পাড়া থেকে নবান্নের অলিন্দে। কারণ, বিগত কয়েক দিন ধরে তৃণমূলের অন্দরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল যে, বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রতর প্রতি ফিরহাদ হাকিমও কিছুটা নরম মনোভাবাপন্ন।

অন্য দিকে, শুক্রবার বিকেলেই কালীঘাটের বাসভবনে জরুরি বৈঠক ডেকে তৃণমূলের সমস্ত পুরনো কমিটি ভেঙে দিয়ে একঝাঁক নতুন নামের তালিকা ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে মদন মিত্র, মলয় ঘটক, মালা রায়রা নতুন সংগঠনে বড় দায়িত্ব পেলেও, এই নতুন কমিটির কোথাও ঠাঁই হয়নি ফিরহাদ হাকিমের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম প্রধান সহযোদ্ধা এবং ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত ফিরহাদকে কেন নতুন কমিটিতে রাখা হলো না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে কি ববি হাকিমের 'নরম মনোভাব'-এর আঁচ পেয়েই কালীঘাট তাঁর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছে? যদিও এই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশ্বস্ত করেছেন যে, ফিরহাদকে পরবর্তীতে দলে অত্যন্ত সম্মানজনক পদ দেওয়া হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে 'আদি' তৃণমূলের এই আশ্বাস ববি হাকিমকে কতটা ধরে রাখতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Truth Of Bengal