Truth of Bengal: পিএসজির দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের রাত স্মরণীয় হওয়ার পাশাপাশি বিতর্কেও জড়িয়ে পড়ল। আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ইউরোপের সেরা হওয়ার পর প্যারিসজুড়ে আনন্দে মাতেন সমর্থকেরা। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে।
ফাইনাল ম্যাচটি হয়েছিল হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরই প্যারিসের রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার সমর্থক। আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফ এবং শঁজেলিজে এলাকার রাস্তাগুলি মানুষের ভিড়ে ভরে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, শুধু শঁজেলিজেতেই প্রায় ২০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তবে সেলিব্রেশনের মধ্যেই কিছু দুষ্কৃতী অশান্তি শুরু করে। বিভিন্ন দোকানে হামলা চালানো হয়, গাড়িতে আগুন লাগানো হয় এবং শহরের একাধিক এলাকায় বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় এক পুলিশ কর্মী আহত হন। অভিজাত অষ্টম অ্যারঁদিসমঁ এলাকার একটি পুলিশ স্টেশনে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করে একদল মানুষ। পুলিশ তাদের দ্রুত ছত্রভঙ্গ করে দেয়। একই সময়ে প্যারিসের চারপাশের প্রধান রিং রোডও কিছুক্ষণের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একটি বেকারি ও একটি রেস্তোরাঁরও ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এছাড়া পিএসজির স্টেডিয়ামের কাছে জড়ো হওয়া প্রায় এক হাজার মানুষকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। সাইকেল দিয়ে তৈরি করা অস্থায়ী ব্যারিকেডও ভেঙে ফেলে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় শতাধিক সমর্থককে।
- শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া, ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বাংলাদেশ! লর্ডস টেস্টের পরই ওলটপালট WTC পয়েন্ট টেবিল
- ১৫ বছরেই ভারতের সিনিয়র দলে বৈভব, নতুন বিস্ময়কে নিয়ে উচ্ছ্বসিত আগরকর
উল্লেখ্য, গত বছর পিএসজির প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পর ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল। তখন ২০১ জন আহত হন এবং ৫০০-রও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়। সেই কারণেই এবার আগে থেকেই সতর্ক ছিল প্রশাসন এবং প্যারিস শহরে ৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

