Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
নিটে কম নম্বরের অভিযোগ করতে গিয়ে বিপাকে পরীক্ষার্থীরা! সামনে এল নথি জালিয়াতির দাবি

নিটে কম নম্বরের অভিযোগ করতে গিয়ে বিপাকে পরীক্ষার্থীরা! সামনে এল নথি জালিয়াতির দাবি

Truth Of Bengal 1 week ago

Truth of Bengal: নিট পরীক্ষার ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন একাধিক পরীক্ষার্থী। কিন্তু এনটিএ-র রিপোর্ট সামনে আসতেই উলটে মামলাকারীদের বিরুদ্ধেই নথি জালিয়াতি ও আদালতকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠল। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিংহ জানিয়েছেন, কারচুপিতে অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এনটিএ আইন মেনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

কম নম্বর দেওয়া হয়েছে-এই অভিযোগ তুলে হাই কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। মামলাগুলির শুনানিতে জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা বা এনটিএ-র কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন পরীক্ষার্থী নকল ওএমআর শিট এবং বিকৃত স্কোরকার্ড ব্যবহার করে মামলা করেছেন। আদালতের কাছে প্রকৃত নম্বর গোপন করার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

এনটিএ-র রিপোর্ট অনুযায়ী, এক পরীক্ষার্থী একই মামলায় তিনটি পৃথক ফলাফল জমা দিয়েছিলেন। পরীক্ষক সংস্থার আইনজীবী আদালতে জানান, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর পেশ করা সমস্ত নথিই জাল বা বিকৃত। এমনকি ২০২৫ সালের একটি স্কোরকার্ডও জমা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি। এনটিএ জানিয়েছে, ওই পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। পাশাপাশি আগামী তিন বছর তাঁকে নিট পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না বলেও আদালতে জানানো হয়েছে। অন্য এক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর প্রাপ্ত নম্বরে ৩৭০ নম্বরের হেরফের করেছে এনটিএ। তবে পরীক্ষক সংস্থার রিপোর্টে সেই দাবিও জাল নথির উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে বলে জানানো হয়। পরে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থী মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। বিচারপতি অমৃতা সিংহের পর্যবেক্ষণ, জাল নথি ব্যবহার করে শুধু এনটিএ নয়, আদালতকেও প্রতারিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলাগুলি খারিজ করার পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন তিনি।

পরীক্ষার্থীদের জমা দেওয়া নথি জাল প্রমাণিত হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন তাঁদের আইনজীবীরাও। সূত্রের খবর, বিষয়টি জানার পর কয়েকজন আইনজীবী মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। কেউ কেউ জুনিয়রদের মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। মামলার সঙ্গে যুক্ত এক আইনজীবীর বক্তব্য, এত বড় পরীক্ষার ফল সংক্রান্ত নথি সত্য কি না, তা সবসময় আইনজীবীদের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। মক্কেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলা করতে গিয়ে আদালতে তাঁদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে। আইনজীবীদের একাংশের মতে, জাল নথি দিয়ে মামলা করার পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। কেউ প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে কেন্দ্র বা পরীক্ষক সংস্থাকে কাঠগড়ায় তুলতে চাইছেন। আবার কেউ পরিবারের চাপে পরীক্ষা দিয়ে পরে ভুয়ো ফল দেখিয়ে দুর্নীতির কারণে সুযোগ পাননি-এমন দাবি করার চেষ্টা করছেন বলেও মত তাঁদের। তবে এই ব্যাখ্যাগুলিও পর্যবেক্ষণ মাত্র, প্রমাণিত তথ্য নয়। নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন হয়েছে। সিজেপি-সহ পড়ুয়াদের একাংশের বিক্ষোভের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। এর মধ্যেই ২১ জুন অনুষ্ঠিত নিট পুনঃপরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Truth Of Bengal