Truth of Bengal: দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, রাষ্ট্রের দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ কোনো সমস্যার সমাধান নয়, বরং তা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক ও হিংসাত্মক করে তোলে।
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘাত নয়, বরং তাঁদের বক্তব্য শোনা এবং ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই এই ধরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ আদালতের।
অভিযোগ উঠেছে, ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযান চলাকালীন পুলিশ ও সিআরপিএফ-এর র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) কোনো আগাম সতর্কবার্তা ছাড়াই লাঠিচার্জ করে ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। এমনকী আন্দোলনকারীদের ওপর ছররা বন্দুক বা পেলেট গান চালানোর পাশাপাশি মহিলা বিক্ষোভকারীদের মারধরের গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। এই ঘটনার জল আদালত পর্যন্ত গড়ায়, যেখানে বিক্ষোভের জন্য আয়োজকদের দায়ী করা এবং তাঁদের দিয়ে সমাজসেবামূলক কাজ করানোর আর্জি জানিয়ে মামলা দায়ের হয়।
- সংসদে বদলে যাচ্ছে হিসেব-নিকেশ? ডিলিমিটেশন ইস্যুতে এবার মোদি-শাহদের পাশে সাবেক শরিক!
- চুলের দৈর্ঘ্য ৯ ফুট, গিনেস বুকে নাম উঠল উত্তরাখণ্ডের মেয়ে রেণুর
মঙ্গলবার মামলার যৌথ শুনানিতে শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার সবার রয়েছে। নিরাপত্তাকর্মীদের আরও বেশি সংযম ও সচেতনতা দেখানো প্রয়োজন। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ক্ষুব্ধ যুবসমাজের কথা শোনা ও তাঁদের সঠিক পরামর্শ দেওয়াই প্রশাসনের প্রধান কাজ হওয়া উচিত। আগ্রাসনের জবাব আগ্রাসন দিয়ে দিলে বিক্ষোভকারীরা আরও উগ্র পথ বেছে নিতে পারেন। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘটনাস্থলে থাকা সুরক্ষাবাহিনীকেই নিতে হবে।

