Dailyhunt
সিকিমে প্রকৃতির তাণ্ডব, ধসে অবরুদ্ধ লাচেন! দেড় হাজার পর্যটককে উদ্ধারে নামল ভারতীয় সেনা

সিকিমে প্রকৃতির তাণ্ডব, ধসে অবরুদ্ধ লাচেন! দেড় হাজার পর্যটককে উদ্ধারে নামল ভারতীয় সেনা

Truth Of Bengal 1 week ago

Truth of Bengal: টানা বৃষ্টি ও তুষারপাতের জেরে সিকিমের লাচেনে আটকে পড়েছিলেন কমপক্ষে দেড় হাজার পর্যটক। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে তারামচুর কাছে রাস্তা ধসে পড়ায় দীর্ঘ সময় যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে ওঠায় অবশেষে বুধবার সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করল ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)।

সিকিম প্রশাসন সূত্রে খবর, তারামচুর কাছে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার অংশ ইতিমধ্যেই মেরামত করে যোগাযোগ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের লাচেন-ডংকিয়া লা-শিবমন্দির-জিরো পয়েন্ট-ইয়ুমথাং করিডর দিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনা হচ্ছে।উদ্ধার কাজ নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যটকদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে নিয়ে আসা হচ্ছে। বুধবার ভোরে প্রথম দফায় ৩০টি গাড়ি পর্যটকদের নিয়ে লাচেন থেকে রওনা দিয়েছে বলে মঙ্গন জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। সেনাবাহিনীর সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ওই গাড়িগুলি ডংকিয়া লা রুট ধরে এগিয়ে যাবে।বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং যাত্রাপথ নিরাপদ রাখতে বাকি গাড়িগুলিকে পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত লাচেনেই অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে তারামচুর দিকে আপাতত সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ওই এলাকায় এখনও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।

উদ্ধার কাজের তদারকি করছেন মঙ্গন জেলার জেলাশাসক অনন্ত জৈন এবং পুলিশ সুপার এল বি ছেত্রী। তাঁদের সঙ্গে মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকরাও রয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা, বিআরও এবং জেলা প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এই দুর্যোগের সময় পর্যটকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। লাচেন জুমসা, হোটেল মালিক, যুব কমিটির সদস্যরা উদ্ধার কাজে সহায়তা করছেন। পাশাপাশি সিকিমের গাড়ি চালক সংগঠন এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে হঠাৎ করেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া লাচেনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও সেনাবাহিনী ও বিআরও-র দ্রুত তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু হওয়ায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে। সিকিম প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় কড়া নজরদারি বজায় রাখা হবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Truth Of Bengal