Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
তৃণমূল বনাম ২০ 'বিদ্রোহী' সাংসদের আইনি যুদ্ধ! স্পিকারের সিদ্ধান্তে সাময়িক স্বস্তিতে এনসিপিআই শিবির

তৃণমূল বনাম ২০ 'বিদ্রোহী' সাংসদের আইনি যুদ্ধ! স্পিকারের সিদ্ধান্তে সাময়িক স্বস্তিতে এনসিপিআই শিবির

Truth Of Bengal 1 month ago

Truth of Bengal: তৃণমূল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্‌স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদকে জবাব দেওয়ার জন্য আরও তিন সপ্তাহ সময় দিল লোকসভার সচিবালয়। এর আগে তাঁদের বক্তব্য জানতে চেয়ে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বাড়তি সময় চেয়ে আবেদন করেন সংশ্লিষ্ট সাংসদরা।

শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। লোকসভা সচিবালয়ের তরফে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের জবাব দিতে আরও তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজেদের বক্তব্য জানাতে পারবেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ সংশ্লিষ্ট ২০ সাংসদ। গত ২৬ আগস্ট প্রথমবার ওই ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সাত দিনের মধ্যে তাঁদের জবাব দিতে বলা হয়। সেই সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হয়ে যায়। তার আগেই লোকসভা সচিবালয়ের কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন তাঁরা।

মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার জানিয়েছেন, ২১ দিন সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল এবং লোকসভা সচিবালয় সেই আবেদন গ্রহণ করেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট সাংসদদের একটি সূত্রের দাবি, সকলেই যে তিন সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন, এমন নয়। কেউ কেউ ১৪ দিনের মধ্যে উত্তর দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সকলের ক্ষেত্রেই তিন সপ্তাহের বাড়তি সময় মঞ্জুর করা হয়েছে। বর্তমানে রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরেই তৈরি হয়েছে মূল জটিলতা। লোকসভার সরকারি নথি অনুযায়ী ওই ২০ জন এখনও তৃণমূলের সাংসদ। কিন্তু বাস্তবে তাঁরা এনসিপিআই-এর হয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র বৈঠকেও তাঁদের দেখা গিয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে তাঁর ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গের বাসভবনেও বৈঠক করেছেন তাঁরা। অন্যদিকে, লোকসভায় এখনও তাঁরা তৃণমূল সাংসদ হিসেবেই নথিভুক্ত। এই অবস্থার বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন লোকসভায় তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলত্যাগ বিরোধী আইনে ওই ২০ সাংসদের সদস্যপদ খারিজের দাবি জানিয়ে স্পিকারের কাছে পৃথক পিটিশন জমা দিয়েছিলেন তিনি।

স্পিকারের তরফে দ্রুত সিদ্ধান্ত না আসায় পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, অযোগ্যতা সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তিতে অযথা দেরি করছেন লোকসভার স্পিকার। সেই কারণেই স্পিকার এবং লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। গত ২৫ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। শীর্ষ আদালতও সংশ্লিষ্ট ২০ সাংসদের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Truth Of Bengal