জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়াবহ বন্যা ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে প্রায় তিন দিন আটকে থাকার পর জীবিত উদ্ধার হল ৬ বছরের এক শিশু। ঘটনাটি নেপালের রসুয়া জেলার। বন্যায় এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় উদ্ধারকারীরা শিশুটির কান্নার ক্ষীণ শব্দ শুনতে পান। এরপর শুরু হয় তল্লাশি।
শেষ পর্যন্ত কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বর্তমানে তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
ধ্বংসস্তূপের নিচে তখনও বেঁচে ছিল শিশু
বন্যার জলে ভেসে গিয়েছিল রসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। বহু বাড়িঘর মাটি, কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যায়। উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। সেই সময়ই ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে তাঁরা ক্ষীণ শব্দ শুনতে পান। প্রথমে বুঝতে পারেননি ঠিক কোথা থেকে শব্দটি আসছে। পরে আরও সতর্কভাবে খোঁজ শুরু করেন উদ্ধারকারীরা। তল্লাশি চালাতে গিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়।
তিন দিন পর উদ্ধার
প্রায় তিন দিন ধরে কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে ছিল শিশুটি। এতটা সময় আটকে থাকার পরও তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হওয়ায় ঘটনাটিকে নেপালের ভয়াবহ বন্যার মধ্যে বিরল আশার ঘটনা বলেই বিবেচিত হচ্ছে। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় ধীরে ধীরে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শিশুটিকে বাইরে বের করে আনা হয়।উদ্ধারের পর শিশুটিকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বর্তমানে তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল
গত কয়েক দিনে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নেপালের একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত হয়েছে। রসুয়া-সহ বেশ কিছু জায়গায় বাড়িঘর, রাস্তা এবং পরিকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ। দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। কাদা, পাথর ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকারীদের বারবার সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তিন দিন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ৬ বছরের শিশুকে জীবিত উদ্ধার নতুন করে আশার আলো দেখিয়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অন্য কোনও জীবিত মানুষের সন্ধান করছেন।
ভয়াল বানের হাড়হিম স্রোতে গেঞ্জি ঘুরিয়ে বাঁচার চেষ্টা! হেলিকপ্টার আঁকড়েই কিশোর...
গাছ আঁকড়েই ২ দিন! ১৭০০০ শিশুর মধ্যে অলৌকিক রক্ষা ৮-এর জোয়েলের, ফিরে পেতেই মায়ের অঝোর কান্না

