জি ২৪ ডিজিটাল ব্যুরো: চারমাসেই মোহভঙ্গ। আরাবুলে অ্যালার্জি। পঞ্চায়েত সমিতি থেকে 'তাজা নেতা'-কে সরাতে এবার অনাস্থা আনল ISF। তাও আবার তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে! ভাঙড়ের রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ।
বিধানসভা ভোট তখন দোরগোড়ায়। মার্চের শেষের দিকে তৃণমূল ছেড়ে ISF-তে যোগ দেন আরাবুল ইসলাম। ক্যানিং পূর্বে টিকিটও পেয়েছিলেন তিনি। ভোটে অবশ্য জিততে পারেননি। তবে ভাঙড় ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে এখনও আরাবুলই। পুরনো পদে রয়ে গিয়েছেন তিনি। সেই পঞ্চায়েত সমিতিতে আরাবুলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে অনাস্থা এসেছে তাঁর নিজের দল ISF।
ভাঙড় ২ নং পঞ্চায়েত সমিতিতে আসন সংখ্যা ৩০। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটে ১৮ আসন পেয়েছিল তৃণমূল। ISF-j দখলে ৫। তৃণমূল ও ISF সদস্য একযোগে আরাবুলের বিরুদ্ধে মহকুমাশাসকের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। প্রস্তাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।
ISF-এ যোগ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন আরাবুল। বলেছিলেন, 'আমি চুরাশি সাল থেকে মমত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কংগ্রেসে ছিলাম। এরপর তৃণমূল তৈরি হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছি। দিদির সঙ্গে বিভিন্ন সময় কাজ করে এসেছি। আজ কেন তৃণমূল ছাড়লাম? তারও একটা কারণ আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন কান দিয়ে শোনেন না, চোখ দিয়ে শোনেন'।

