অয়ন শর্মা: অ্যাপলোর পর এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফেরাল বেলভিউ। গুরুতর কোনও চোট নেই তাই ভর্তি করল না মিন্টো পার্কের এই বেসরকারি হাসপাতাল। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁকে ভর্তি করার প্রয়োজন নেই। গুরুতর কিছু অবস্থা নয়। তবে হাসপাতাল সূত্রে খবর, সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। ইন্টারনাল ইনজুরি রয়েছে কিনা, সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারী মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে মাথায় রেখে।
ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় তাঁকে। অভিষেককে দেখতে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ছুটে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পৌঁছেই তিনি জানান, 'আমরা শিফ্ট করছি, এখানে ট্রিটমেন্ট হচ্ছে না, ওপর থেকে বলে দিয়েছে।'
সঞ্জুর বাড়িতে যাওয়ার সময় চারচাকা গাড়ি ছেড়ে বাইকে চড়ে রওনা দেন। তখনই তাঁকে ঘিরে ধরে জনতা। তাঁকে পেছন থেকে কিল ঘুঁসি মারা হয়। তার জামা ছিড়ে দেওয়া হয়। তাঁর চশমা ভেঙে যায়। কার্যত বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল তাঁকে। পুলিস তাঁকে একটি হেলমেট পরিয়ে দেয়। এর মধ্যেই ভিড়ের মধ্যে থেকে উড়ে আসে ডিম। সেই ডিম এসে লাগে তাঁকে ঘিরে থাকা পুলিসকর্মীদের মাথায়, তাঁর হেলমেটে।
হেনস্থার পর বলেন, আমি শুধু দেখা করতে এসেছিলাম। তবে এই পরিস্থিতিতে আমি বৃদ্ধ বাবা মাকে ছেড়ে চলে যেতে পারব না। পুলিস সুপার, আইসিকে আগে থেকে অ্যালার্ট করা হয়েছে, এখানে বহিরাগতরা জমায়েত করেছে, আপনারা ফোর্স পাঠান। একজন পুলিসকেও দেখা যায়নি। আমরা ভয় পাওয়ার নই। সিপিএমের ৩৪ বছরের অপশাসনকে আমরা ভয় পাইনি। বিজেপি যদি ভাবে ধমকে চমকে আমাদের ঘরে ঢুকিয়ে দেবে তাহলে মুর্খের স্বর্গে বাস করছে। যে পরিস্থিতি এরা তৈরি করেছে মধ্যযুগের বর্বরতাও এদের কাছে লজ্জা পাবেওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে ছেড়ে যাব না, যতক্ষণ না ফোর্স এসে উদ্ধার করবে।
'এখানে ট্রিটমেন্ট হচ্ছে না', মমতার কথায় তড়িঘড়ি হাসপাতাল বদল 'আক্রান্ত' অভিষেকের
অভিষেক প্রথম নন, ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে বারবার আক্রান্ত হয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব

