কমলাক্ষ ভট্টাচার্য: শপথ গ্রহণের তিন সপ্তাহ পর আগামিকাল সম্প্রসারিত হতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রিসভা। প্রথম দফায় শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া ৫ জন। এবার মন্ত্রী হিসবে শপথ নিতে পারেন ৩৬ বিধায়ক। সূত্রে খবর, রাজ্য মন্ত্রিসভা হতে চলেছে ৪২ জনের। নতুন মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে লোকভবনে।
বিজেপি সূত্রে খবর, এবার মন্ত্রিসভায় থাকতে পারে বেশকিছু চমক। তবে মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ের লাস্ট ল্যাপে এগিয়ে কারা, তার একটি ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন তাপস রায়, সজল ঘোষ, গোরী শংকর ঘোষ, দীপক বর্মন, জুয়েল মুর্মু, স্বপন দাসগুপ্ত, সারদ্বত মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল খান, শংকর ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, রাজেশ কুমার, সোমা ঠাকুর, মালতি রাভা রায়, উত্পল মহারাজ ও রত্ন দেবনাথ রয়েছেন।
যেসব বিধায়কদের নাম উঠে আসছে তাদের অধিকাংশই বঙ্গ রাজনীতিতে পরিচিত নাম। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সব জায়গার বিধায়করাই রয়েছেন তালিকায়। বিজেপির বক্তব্যই ছিল উত্তরবঙ্গকে এবার গুরুত্ব দেওয়া হবে। ফলে এবার উত্তরবঙ্গ থেকে কয়েকজন মন্ত্রী হতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বেলভিউ থেকে বাড়িতেই ফিরলেন অভিষেক, মমতা বললেন হাসপাতালকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল
হিংসার রাজনীতিকে 'প্রশ্রয়'দেওয়ারই কি মাশুল গুনছে একদা শাসক তৃণমূল?
উল্লেখ্য, এবার ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন স্বপন দাসগুপ্ত, সারদ্বত মুখোপাধ্যায়, রত্ন দেবনাথের মতো প্রার্থীরা। গুঞ্জন রয়েছে স্বপন দাসগুপ্তকে শিক্ষার মতো কোনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। আরজি করের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথকে এবার প্রার্থী করেছিল বিজেপি। তিনি জিতেছেন। তাঁকে এবার মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হয় কিনা সেটাই এখন দেখার। এবার ভোটে জিতেছেন বিনোদন জগতের কয়েকজন। এদের মধ্যে দু-একজন বিজপির সঙ্গে রয়েছেন বেশকিছু দিন থেকেই। ফলে রুদ্রনীল ঘোষের মতো বিধায়ককে মন্ত্রী করা হয় কিনা সেটাই এখন দেখার।
উল্লেখ্য, প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গেই পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর এবং প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পালকে দেওয়া হয় নারী ও শিশুকল্যাণ, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও ক্রীড়া দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল নিশীথ প্রামাণিককে, খাদ্য দফতর দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনীয়াকে । অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী হয়েছিল ক্ষুদিরাম টুডু।

