Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ভোররাতে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ঢুকে তাণ্ডব দুষ্কৃতীদের, ভিডিয়ো পোস্ট করে দাবি অভিষেকের

ভোররাতে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ঢুকে তাণ্ডব দুষ্কৃতীদের, ভিডিয়ো পোস্ট করে দাবি অভিষেকের

বিক্রম দাস ও বরুণ সেনগুপ্ত: ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস নিয়ে আইনি জটিলতা তুঙ্গে। অফিস ছেড়ে দেওয়ার নোটিসও দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন বিতর্ক। বৃহস্পতিবার ভোররাতে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসে ভাঙচুর চালাল কে বা কারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করে এমনটাই দাবি করেছেন অভিষেক।

ভাঙচুরের খবর পেয়ে অফিসের সামনে মোতায়েন বিশাল পুলিস বাহিনী। ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিছু লোকজন অফিসে এসেছেন। রয়েছেন সুমিত রায়ও। ওই ঘটনায় এখনওপর্য়ন্ত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। কীভাবে ভাঙচুর তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।

এদিকে, এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করে অভিষেক লিখেছেন, 'আজ ভোরে ক্যামাক স্ট্রিটে যা ঘটেছে, তা আইনের শাসনের উপর এক লজ্জাজনক এবং নগ্ন আক্রমণ। ভোর প্রায় ৪টা ৩০ মিনিটে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির গুন্ডারা কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে জোর করে ঢুকে পড়ে। আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়,তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়, আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়, গোটা অফিস তছনছ করা হয় এবং ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম নষ্ট করে দেওয়া হয়। আর কলকাতা পুলিস তখন কোথায় ছিল? আমাদের কর্মী এবং আইনজীবীরা বারবার ফোন এবং ইমেল করার পরেও প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে পুলিসের কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। এটা চরম নিন্দনীয় এবং কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।'

শেষরক্ষা কীভাবে? ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস খালি করার নোটিসকে চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের

অভিষেক আরও লিখেছেন, 'এই হামলার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে। কারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছে, কারা সংগঠিত করেছে এবং কার নির্দেশে এই সন্ত্রাস চালানো হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই। একই সঙ্গে, বারবার খবর দেওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কেন সময়মতো ব্যবস্থা নিল না, তারও জবাবদিহি করতে হবে। কোনও রাজনৈতিক দল বা অস্ত্রধারী গুন্ডাবাহিনী আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। ভোর সাড়ে চারটেয় অস্ত্র হাতে একদল লোক যদি একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে ঢুকে কর্মীদের উপর হামলা চালাতে পারে, ফোন কেড়ে নিতে পারে, অফিস ভাঙচুর করতে পারে, আর সেই সময় পুলিশ যদি নির্বিকার থাকে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন বলে আর কী অবশিষ্ট আছে? অনেক হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন। পুলিশের ভূমিকার জবাবদিহি নিশ্চিত করুন। এখনই ব্যবস্থা নিন।'

এনিয়ে সরব তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সাকেত লিখেছেন, বাংলায় আইন শৃঙ্খলার যে অবস্থা তা অত্যন্ত শোচনীয়। ভোর সারে চারটেয় একটি রাজনৈতিক দলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হল। পুলিসের দেখা নেই। কারণ তারা এখন বিজেপির ক্যাডার হিসেবে কাজ করছে। এ কী রকম গণতন্ত্র হয়ে গেল আমাদের?

উল্লেখ্য, জুলাই মাসে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে ডায়মন্ডহারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের একাংশ ভেঙে দেয় জেলা প্রশাসন। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক অভিষেক ব্যানার্জীর বাবা অমিত ব্যানার্র নাম ছিল বাড়িটি। বাড়িটি তৈরি সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্রসহ শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য অন্তত দুবার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। ৩০ জুন এবং ৭ জুলাইয়ের শুনানিতে কেউ হাজির হননি। এরপর ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এমনটাই প্রশাসন সূত্রে খবর।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদেরApp,Facebook,Whatsapp Channel,X (Twitter),Youtube,Instagramপেজ-চ্যানেল)

Add Zee News a

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Zee News Bengali