প্রদ্যুৎ দাস: ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে গিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মিলল না। এদিকে, পরদিন সকালে স্থানীয় ক্লাবঘর থেকে উদ্ধার হল তাঁর ঝুলন্ত দেহ। ভয়াবহ! ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধুপগুড়িতে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বাড়িতে সাত মাসের শিশুকে রেখে টাকা তুলতে ঠাকুরপাঠ-সংলগ্ন এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি।
তারপর থেকেই নিখোঁজ থাকেন বছরতেইশের গৃহবধূ রঞ্জিতা রায়। তাঁর পরিবারের লোকজনেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর খোঁজ পান না! এর পরই আসে ওই ঘোর দুঃসংবাদ। কীভাবে ঘটল কেন?
কোথায় গেলেন রঞ্জিতা?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেলে বাড়িতে সাত মাসের শিশুকে রেখে টাকা তুলতে ঠাকুরপাঠ-সংলগ্ন এলাকায় যান গৃহবধূ রঞ্জিতা রায় (২৩)। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। রঞ্জিতার পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেন তাঁর। কিন্তু কোনও খোঁজ পান না। খোঁজ না মেলায় সন্ধ্যায় তাঁরা থানার দ্বারস্থ হন।
ক্লাবঘর থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ
এদিকে, আজ, বুধবার সকালে জানা যায়, বাড়ির পাশে থাকা একটি ক্লাবঘর থেকেই উদ্ধার হয় রঞ্জিতার ঝুলন্ত দেহ। রঞ্জিতার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর যায় তাঁর পরিবারে। দ্রুত খবরটি ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্যও। কী ভাবে রঞ্জিতার মৃত্যু, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে আসে ধূপগুড়ি থানার পুলিস। এরপর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিসসূত্রে খবর।
কী কারণে মৃত্যু তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
টানা ৫ দিন ৭ গ্রামে তল্লাশি, অবশেষে খতম হিট লিস্টে থাকা A++ ক্যাটেগরির শীর্ষ লস্কর জঙ্গি জাকির
ছেলের হাতে খুন বাবা-মা, এবং আত্মহত্যা
প্রসঙ্গত, কদিন আগেই গত মাসের প্রথম দিকে ছেলের হাতে খুন হয়েছিলেন বাবা-মা। পরিবারের চারজনকেই কুপিয়ে খুন করার চেষ্টা করে তারপর নিজে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সেই ছেলেটি। আহত জেঠিমা এবং বোন। জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি ব্লকের ২ নম্বর গাদং গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা ছিল এটি। শালবাড়ি জুড়াপানি হাইস্কুলের পাশে এই ঘটনায় ছড়িয়েছিল ঘোর চাঞ্চল্য। মৃতর ছিলেন বাবা নেপাল সরকার (৪৮), মা দিপালী সরকার (৩২)। অভিযুক্ত ছেলের বয়স মাত্র ১৬ বছর। এই ঘটনায় আহত অপর দুজন-- জেঠিমা এবং বোন। তাঁরা গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন।
আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ...
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭

