জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: অপমান ও মানসিক অত্যাচারে আশাকর্মীর মৃত্যু? বিতর্কে বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরি। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার গঙ্গজলখাঁটি এলাকায়।
বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা। দিন কয়েক আগে গঙ্গাজলঘাঁটি এলাকায় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি।
অভিযোগ, সেখানে গিয়ে আশাকর্মীদের অপমান করেন বিধায়ক। বলেন, 'আপনারা কি চুরি করে চাকরি পেয়েছেন? সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন ব্যবহার করছেন'? চন্দনার এই কটুক্তিতেই নাকি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন আশাকর্মী রুম্পা মন্ডল! এরপর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্যন্য আশাকর্মীরা। স্রেফ প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া নয়, বিধায়কেক পদত্যাগের দাবি তুলেছেন তাঁরা।
আজ, মঙ্গলবার কলকাতায় স্বাস্থ্যভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছিল পশ্চিবঙ্গ আশা কর্মীদের সংগঠনের সদস্যদের। বাঁকুড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সোরেনের উপস্থিতি গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
বিধায়ক চন্দনা বাউরির অবশ্য় দাবি, 'অনেক ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে অনেক রং চড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রীও বুঝেছেন জিনিসটা। যাদের পরিবারের ঘটনাটি ঘটেছে, তারা বুঝেছেন। ওনাদের পুরো দোষ'। বলেন, 'আযুষ্মান ভারত কার্ডের জন্য আশাদিদিদের কাজ দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে করার কথা বলা হয়েছে। আমি জনপ্রতিনিধি, আমার এলাকার মানুষ প্রতিনিয়ত অভিযোগ করছেন, ওনারা বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন না। ওটাই আমি বলেছিলাম'।
বিধায়কের বক্তব্য, 'আমার গ্রামের আশাদিদিকে বলেছিলাম, ট্রেনিং পেয়েছেন। কাজটা কেন করছে না। না, আমি পারছি না। আমি তখন বলেছি, আপনি কি চুরি করে কাজটা পেয়েছেন। আমি এটা বলিনি যে, তৃণমূল থেকে পেয়েছেন বা অন্য কিছু। ওরা বলছে, আপনি কেন বলবেন? কী জন্য বলবেন। মুখের ভাষা খারাপ'!

