অয়ন ঘোষাল: ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট- রাজ্যে ঠাঁই হবে না কোনও অবৈধভাবে প্রবেশকারী বাংলাদেশির। অবৈধ অভিবাসীরা- যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক, নয়তো রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সদস্য -তাদের জন্য হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। কী এই হোল্ডিং সেন্টার? রাজ্যে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের 'ডিটেক্ট' করে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় 'আটকে' রাখতেই হোল্ডিং সেন্টার।
সেই হোল্ডিং সেন্টার নিয়েই এবার বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ। সেইসঙ্গে 'Rapid ফায়ার রাউন্ডে' বিশ্বাস পরিবারে বিবাহ-বিচ্ছেদ থেকে বিধানসভায় জাল সইকাণ্ডে একহাত নিলেন তৃণমূলকে।
কোণঠাসা তৃণমূল, জুতো-চপ্পল-পচা ডিম-বিবাহ বিচ্ছেদ!
দিলীপ ঘোষ: দলটাই তো পচা। তার আবার ভালো মন্দ কি? কিছু ধান্দাবাজ লোক সুবিধা ভোগ করার জন্য তৃণমূলে এসেছিল। দলে কোনও আদর্শ ছিল না। এখন কামানোর রাস্তা বন্ধ। দলের অন্দরের ঘা বেরিয়ে গিয়েছে। দুনিয়ার অ্যান্টি সোস্যাল হয়ে গিয়েছিল নেতা। ১৫ বছরে বাংলার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। এবার সেটা ঠিক করতে হবে।
বিধানসভায় জাল সই
দিলীপ ঘোষ: যত বড় ক্রিমিনাল তার ওই দলে তত বড় পদ। মানুষ চুপ করে ছিল এতদিন। বুদ্ধিজীবীরা তখন গলা ফটিয়েছিল। তারা এখন মৌনী বাবা হয়ে গিয়েছে।
লক্ষ্মীর ভান্ডারে ৩০ লক্ষ ভুয়ো নাম
দিলীপ ঘোষ: শুধু ভারতীয়রাই এই সুবিধা পাবেন। যারা ভারতীয় নন তারা যে শুধু সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন এমনটা নয়। এবার দেশ থেকে বিতাড়িত হবেন।
প্রায় ৫০০০ কোটির বিনিয়োগে ইচ্ছুক আমূল
দিলীপ ঘোষ: বেঙ্গল সামিট যখন হওয়ার তখন হবে। তার আগে বিনিয়োগ টানব। বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছি।
হাজতে দিলীপ মন্ডল, পুষ্পা এখনও ফেরার
দিলীপ ঘোষ: ধাপে ধাপে ওপরের দিকে ওঠা হবে। লম্বা প্রসেস চলবে। কেউ ছাড় পাবে না।
এয়ারপোর্টে অবশেষে সরছে মসজিদ
দিলীপ ঘোষ: ওটা ওখানে তৈরি হল কীভাবে? কার মদতে। মুসলিম সমাজকে শুধুমাত্র ভোটার করে রেখে দেওয়া হয়েছিল। মুসলিমদের বলছি আপনারা এই উন্নয়নে সামিল হোন। সরকার সবার। মুসলিম সমাজের থেকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার দরকার আছে।
হোল্ডিং সেন্টারে ক্রমশ ভিড় বাড়ছে
দিলীপ ঘোষ: প্রথমে সকালে ডিম, দুপুরে মাছ খাওয়াচ্ছি। এরপর ডিম বন্ধ হবে। শাক ভাত খাওয়াব। তারপর শাক বন্ধ করব। তারপর শুধু ভাত খাওয়াব। তারপর প্রহারেণ ধনঞ্জয়। নিজেরা চলে যান। আপনাদের রাখার বা খাওয়ানোর দায়িত্ব খুব বেশিদিন আমরা বহন করব না।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের কোন হোল্ডিং সেন্টারে কত লোক, বৃহস্পতিবারই সরকারের তরফে তার একটি তালিকা সামনে এসেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জেলার বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে বর্তমানে ৩৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে বসিরহাট পুলিস জেলায় - মোট ৩৩৫ জন। তাঁদের মধ্যে ১৪৮ জন পুরুষ, ৯৯ জন মহিলা এবং ৮৮ জন শিশু।
১. কর্মতীর্থ: পুরুষ-০৩, মহিলা-০২
২. লক্ষ্মীকান্তপুর কমিউনিটি হল: শিশু-০১
৩. তেঁতুলদিয়া পথেরসাথী, চারঘাট ফ্লাড সেন্টার ও সুভাষনগর ফ্লাড সেন্টার: পুরুষ-১৪৮, মহিলা-৯৯, শিশু-৮৮
৪. রামপুর কর্মতীর্থ: পুরুষ-০৪, মহিলা-০৪
৫. মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হোম: পুরুষ-০১
৬. দেগঙ্গা থানা: পুরুষ-০২, মহিলা-০১
৭. দিনহাটা আপনঘর হল: পুরুষ-০২
৮. ভগবানগোলা স্বপন নগর মার্কেট কমপ্লেক্স: পুরুষ-১৯
৯. লালগোলা পদ্মভবন: পুরুষ-০২
১০. ভীমপুর পঞ্চায়েত কমিউনিটি হল: পুরুষ-০১
১১. মালদা: মহিলা-০৩, শিশু-০৬
মোট: ৩৮৬ জন

