অর্কদীপ্ত মুখোপাধ্যায়: হঠাত্ পুলিস এসেছে বিল্ডিংয়ে। মোট ২৭টি পরিবারকে উঠে যাওয়ার কথা বলতেই হইচই ফ্ল্যাট মালিকদের মধ্যে। বিপুল টাকা দিয়ে কেনা ফ্ল্যাট, এতদিন রয়েছেন। এখন কোথায় যাবেন? কান্নাকাটি, শোরগোল, উদ্বেগ, হাত জোড় করে পুলিসকে অনুরোধ পাইকপাড়ার উমাকান্ত সেন লেনে। রাস্তায় বসতে চলেছে ২৭ পরিবার।
পাইকপাড়ার উমাকান্ত সেন লেনের ও বাড়ির জামির মালিকের দাবি, বাড়িটি বেআইনি ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই দাবি তুলে তিনি মামলা করেন। সেই মামলায় তিনি জিতেছেন। আদালতের নির্দেশ, ওই বাড়িতে থাকা ২৭টি পরিবারকে উঠে যেতে হবে। আজ আদালতের সেই নোটিস নিয়ে ওইসব ফ্ল্যাটের মালিকদের উঠে যাবার কথা বলতে আসে পুলিস। তাতেই শোরগোল পড়ে যায়।
সূত্রের খবর, কবে উঠে যেতে হবে সেরকম কোনও সময়সীমা আদালতের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। এদিকে, পুলিস বলছে, যেহেতু আদালতের নির্দেশ, তাই আজই ওইসব ফ্ল্যাট খালি করে দিতে হবে। কিন্তু বাসিন্দারা বা যাদের দোকান রয়েছে তারা কিছুদিন সময় চাইছেন। যে প্রমোটার ওই বাড়িটি তৈরি করেছেন তিনি এখন পলাতক। তার ফোন সুইচড অফ। বাসিন্দারা এখন অথৈ জলে।
রাজনীতির বিগ ব্রেকিং: ৪ মাসেই মোহভঙ্গ? ৩ নয়, ৬ জন NCPI সাংসদ ফিরছেন তৃণমূলে? তোলপাড় দিল্লি
বাড়িটির নীচে রয়েছে একাধিক দোকান। এক দোকানদার বলেন, পুলিস বলছে বেরিয়ে যাও। এই দোকান থেকে আমার সংসার চলে। এখন এখান থেকে বেরিয়ে গেলে আমি সংসার চালাব কী করে। আমার বাবার নামে মিথ্য কেস করে আমাকে হারিয়েছে। প্রমোটার আমাদের ভুল বুঝিয়ে এটা করেছে। ৩০০০-৪০০০ হাজার টাকা স্কোয়ার ফুট হিসেবে ফ্ল্যাট বিক্রি করা হয়েছে। অন্য এক দোকানদার বলেন, দেড়শো বছরের জমি। আমরা প্রোমোটারকে দিয়েছিলাম। এখন পথে বসিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছে।

