মনোজ মণ্ডল: 'অত্যন্ত ভালো এবং সাহসী পদক্ষেপ'। বারুইপুর কাণ্ডে এনকাউন্টারে খুশি প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের পরিবারও। দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস বললেন, 'কেবল একজনকে মেরে সমাজ থেকে এই ব্যাধি দূর করা যাবে না। যারা যারা এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত, তাদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে'।
'এটাই চাই! কীসের আইন? আইন মানি না, আইনের দরকার নেই! বিস্ফোরক কামদুনির মৌসুমী
সুটিয়া গণধর্ষণ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদী আন্দোলনকারী ছিলেন বরুণ। খুন হতে হয়েছিল কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক শিক্ষক। কবে? ১৪ বছর আগে। ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশনে খুব কাছ থেকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই বরুণের দিদি প্রমীলা বলছেন, 'কোনও নির্দিষ্ট ঘটনা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলা এই ধরণের নারকীয় নির্যাতন ও ধর্ষণ গোটা সমাজব্য়বস্থাকে কলুষিত ও ধ্বংস করে দিচ্ছে'। রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সরকার ও পুলিসকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১৪ বছর পেরিয়ে গেলে বরুণ বিশ্বাস খুনের বিচার আজ অধরা। সম্প্রতি জনতার দরবারে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন প্রমীলা। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের খুনের মামলায় ফাইল খোলার আর্জি জানিয়ে এসেছেন তিনি। সিট গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু।
বরুণ বিশ্বাস দিদি বলেন, 'সুটিয়া নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের প্রতিবাদ করেছিল আমার ভাই। ওকে নৃশংসভাবে খুন হতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাসে আমরা খুশি ও আশাবাদী। কিন্তু যতদিন দোষীরা চূড়ান্ত শাস্তি পাচ্ছে, ততদিনে মনে শান্তি নেই'। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, 'বরুণ বিশ্বাস খুনের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন রাজ্য়ের প্রাক্তন খাদ্য়মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক'।

