Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'এত কালপ্রিট! পুলিস বাধ্য হয়েছে', বারুইপুর এনকাউন্টারে স্পষ্ট 'সমর্থন' রত্না দেবনাথের

'এত কালপ্রিট! পুলিস বাধ্য হয়েছে', বারুইপুর এনকাউন্টারে স্পষ্ট 'সমর্থন' রত্না দেবনাথের

শ্রেয়সী গাঙ্গুলি: বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে মুখ খুললেন পানিহাটির বিধায়ক তথা আরজি করে নিহত চিকিৎসকের মা রত্না দেবনাথ। রত্না দেবনাথের স্পষ্ট কথা, "সাম্য না হলেও, পুলিস এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছে ওনাকে। এত কালপ্রিট! বাধ্য হয়ে পুলিস এনকাউন্টার করেছে।" পাশাপাশি অভিযুক্তের মাকে 'সাহসী' বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বারুইপুর এনকাউন্টারে রত্না দেবনাথের প্রতিক্রিয়া
জি ২৪ ঘণ্টাকে ফোনে রত্না দেবনাথ বলেন, "ঘটনা যেটুকু শুনলাম, পুননির্মাণ করার জন্য নিয়ে গেছিল। তখন পুলিসের রিভলভার কেড়ে নিয়ে নিয়ে তাক করে গুলি করে। বাধ্য হয়ে পুলিস এনকাউন্টার করেছে। এটা আমাদের সাম্য না হলেও, পুলিস এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছে ওনাকে। এত কালপ্রিট! তবে এই ঘটনায় শুধু একজন তো জড়িত নয়, আরও আরও সবাই যারা এই ঘটনায় জড়িত, তারা সবাই যেন ধরা পড়ে। এই রকম পদক্ষেপ নিলে আমরা হয়তো আগামীদিনে, এই যে বাচ্চাদের হারিয়ে যেতে হচ্ছে, এর থেকে পরিত্রাণ পাব আমরা।"

স্বাভাবিকভাবেই বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের পুলিসের এনকাউন্টারে মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তবে এই ঘটনায় পুলিসের পদক্ষেপকে সমর্থন-ই করেছেন পানিহাটির বিধায়ক তথা আরজি করের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, "এখানে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আগের সরকারের আমলে আমরা এখনও বিচার পাইনি।"

তাঁর কথায়, অভিযুক্ত পুলিসের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের দিকে তাক করে গুলি চালাতেই পুলিস গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে। তাই পুলিস ঠিক কাজ করেছে বলেই মত তাঁর। এও বলেন যে, একজন ধর্ষকের কঠোর পরিণতি হয়েছে। এভাবে কঠোর পদক্ষেপ হলেই ভবিষ্যতে আরও শিশুদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত, নিজের ছেলের এনকাউন্টারে 'ভালো হয়েছে' বলেছেন মূল অভিযুক্ত প্রভাসের মাও।

প্রভাসের মায়ের বক্তব্য
প্রভাস মণ্ডলের মা বলেন, "পুঁতে দিক বা ফেলে দিক, কোনও কষ্ট নেই! ও কারোর কথা শোনেনি। কোনওদিন আমাদের কথা শোনেনি। বিশেষ নিজের মায়ের কথা শুনত না। নেশা করত। আমার আর কিচ্ছু বলার নেই। ওর সঙ্গে যা হয়েছে, ভালো হয়েছে। আমরা কেউ ওর মৃতদেহ দেখতে যাব না। পুলিসের যা ইচ্ছে করুক। পুঁতে দিক, ফেলে দিক যা পারে করুক।" ছেলের এনকাউন্টারে অনুশোচনাহীন মা। মৃতদেহ নিতেও অস্বীকার তাঁর।

কীভাবে ঘটে বারুইপুর এনকাউন্টার?
প্রসঙ্গত, বারুইপুরের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়েই নাটকীয় মোড় নেয় গোটা ঘটনা। মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে সূর্যপুরের ঘটনাস্থলে যায় পুলিস। অপরাধের পুনর্নির্মাণ শুরু করার ঠিক আগে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল এক পুলিসকর্মীর হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পুলিসের দিকে তাক করে গুলি চালায় ও ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করে। তখনই পুলিস পালটা গুলি চালয়। পুলিসের গুলিতে এনকাউন্টারে নিহত হয় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল।

কী ঘটেছিল বারুইপুরে?
গত শনিবার বারুইপুরের ১২ বছরের ওই নাবালিকাকে প্রথম অপহরণ করা হয়। তাকে ভুল বুঝিয়ে ঝুপড়িতে নিয়ে যায় এই প্রভাস মণ্ডলই। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল আনন্দ সর্দার, দিবাকর ও আরও একজন। সেখানে বসেই মাদক সেবন করে অভিযুক্তরা। তারপর নাবালিকার উপর নারকীয় শারীরিক নির্যাতন চালায় চারজন মিলে। চিৎকার থামাতে নাবালিকার গলায় পা দিয়ে চেপে ধরা হয়। এরপর অচৈতন্য অবস্থাতেই ঝুপড়ির ঘরের মধ্যে ফেলে রেখে দেয় নাবালিকাকে। শেষে গভীর রাতে পুকুরে দেহ ফেলে দেয়। রবিবার সেই দেহ উদ্ধার হতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর।

'নতুন বাংলা- উত্তর প্রদেশ ২.০-কে স্বাগত...'! বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে বিস্ফোরক মহুয়া মৈত্র

ঘটনার পর থেকেই ঘাপটি মেরেছিল বসিরহাটে, বারুইপুরকাণ্ডে গ্রেফতার প্রভাসদের চতুর্থ শাগরেদ

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Zee News Bengali