জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এনকাউন্টারেই জাস্টিস! 'ঠিক হয়েছে এনকাউন্টার হয়েছে। কীসের আইন? আইন মানি না, আইনের দরকার নেই'। বিস্ফোরক কামদুনির প্রতিবাদী মৌসুমী কয়াল।
জি ২৪ ঘণ্টাকে মৌসুমী বলেন, 'আমি জানি যারা এই সমাজে আইনের কাজ করেন, যারা কমিশনের কাজ করেন, সবাই প্রশ্ন হয়তো তুলবেন, এনকাউন্টার ঠিক নয়। কিন্তু আমি বলব, এই জায়গায় যদি আপনারা থাকতেন না, তাহলে এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন না। সাধারণ মানুষের মনে কথা আমি বলছি। ঠিক হয়েছে, এটাই দরকার ছিল। এনকাউন্টারই দরকার ছিল। যেখানে বিচারব্যবস্থা বিক্রি হয়ে যায় এই রাজ্যে, প্রশাসন বিক্রি হয়ে যায় এই রাজ্যে'।
কামদুনি কাণ্ডে 'এরকমই বিচার' চান নির্যাতিতার মাও। তিনি বলেন, 'আর কতদিন চোখের জল ফেলব মেয়ের জন্য! বিচার চাই। নতুন সরকার এসেছে, আমরা দেখা করতে চাই। অভয়া ফাইল খোলা হয়েছে। আমাদের ফাইলটাও খোলা হোক। আমি চাই, এই দুষ্কৃতীদের যেন স্পটেই মারা হয়। মেরেছে, খুব ভালো হয়েছে'। কামদুনি নির্যাতিতার মায়ের সাফ কথা, 'তখন যদি এভাবে মেরে দিত, আমি খুব খুশি হতাম। না পারলে আমাদের হাতে দিলে... আমি মনে হচ্ছে, এতদিনে মেরেই দিতাম। বিচারটা যেন ভালো পাই। শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অনুরোধ করব, আমরাও এরকম বিচার চাই। ওদের মেরে দেওয়া হোক'।
২০১৩ সালের ৭ জুন।রাজ্যে তখন সদ্য পালাবদল ঘটেছে। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে কলেজ থেকে ফেরার পথে প্রথমে ধর্ষণ তারপর খুন করা হয় এক ছাত্রীকে। সেই ঘটনার কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা রাজ্যে।
'গণধর্ষণ ও খুন'! নৃশংসতার শিকার ২৫ বছরের আদিবাসী গৃহবধূ,২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ২

