Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'গেরুয়া রং থাকুক তার মহিমায়...'! মুখ্যমন্ত্রীর ছবি পোস্ট করে কেন একথা লিখলেন কুণাল ঘোষ?

'গেরুয়া রং থাকুক তার মহিমায়...'! মুখ্যমন্ত্রীর ছবি পোস্ট করে কেন একথা লিখলেন কুণাল ঘোষ?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গে রং নিয়ে রাজনীতি নতুন নয়। সরকার বদলের পর নীল-সাদা মুছে শহর জুড়ে এখন শুধুই গেরুয়া। এইসবের মাঝে এবার গেরুয়া রং নিয়ে সরব হলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রী গেরুয়া কার্পেটের উপর হেঁটে যাচ্ছেন।

এই নিয়ে কুণাল ঘোষ তীব্র কটাক্ষ করেন।

কুণাল ঘোষ লেখেন, 'গেরুয়া পবিত্র রং। তার উপর দিয়ে হাঁটা যায় না। রাজ্য সরকার সব ডেকরেটরকে অবিলম্বে নির্দেশ দিক, আর যেখানেই গেরুয়া লাগান, দয়া করে কার্পেটের ক্ষেত্রে রংটি ব্যবহার যেন না করেন।'

তিনি আরও লেখেন, 'গেরুয়া পেতে দেবেন, তার উপর সবাই পদচারণা করবেন জুতোসহ, তারপর আবার গেরুয়ার পবিত্রতা নিয়ে বিজেপির কাছ থেকেই জ্ঞান শুনতে হবে, ব্যাপারটা জটিল ও পরস্পরবিরোধী। গেরুয়া রং থাকুক তার মহিমায়। কিন্তু গেরুয়া নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হোক। ডেকরেটরদের কাছে আগে নির্দেশ দিন, গেরুয়া কার্পেট নিষিদ্ধ।'

লাইক, ভিউয়ের লোভে শিকেয় পবিত্রতা! রাজ্যের একাধিক মন্দিরে জারি কড়া নির্দেশিকা

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে গেরুয়া রং নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। রাজ্যে পালাবদলের পর জুলাই মাসে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের একাংশকে গেরুয়া রং করা হয়েছিল। এই নিয়ে নাট্যব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী ও চন্দন সেনরা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। সেই সময় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছিলেন শমীকবাবু।

কিন্তু রং পরিবর্তনের কোনও লক্ষণ না দেখে ১১ অগাস্ট শিল্পী ও কলাকুশলীরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে ভবনটির সেই অংশ গেরুয়া থেকে বদলে সাদা করে দেন। ঠিক তার পরের দিনই বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের তত্ত্বাবধানে সাদা রঙ করা অ্যাকাডেমির টিকিট কাউন্টারকে ফের গেরুয়া রঙ করে দেওয়া হয়।

টানা ৪ ঘণ্টা রোদ দাঁড়ানোর শাস্তি, স্কুলের ৩ তলা থেকে ঝাঁপ একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর

রুদ্রনীল ঘোষের দাবি, 'রাজনীতিকরণ মুক্ত করতে হবে। সে কারণেই ফের গেরুয়া রঙ করে দেওয়া হল। আগে এখানে গেরুয়া রঙ ছিল কিন্তু তৃণমূল পরবর্তিতে রঙ বদলে দিয়েছিলেন। তাই পুরনো জায়গায় রংয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। বামেরা ঠিক করেছিল এখানে লালঝাণ্ডা দিয়ে রাজনীতিকরণ করবে। সিটুর ইউনিয়ন বড় করতে চারটে ঘর দখল করে রেখেছে। ওয়ার্কিং কমিটির সর্বনাশ করেছে। তৃণমূলের বড় হোডিং যখন তখন তো সমস্যা হয়নি। ত্যাগের রং-এ আপত্তি।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Zee News Bengali