পিয়ালী মিত্র: বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিস। নাম কবীর মোল্লা। ওই ঘটনায় মোট ৪ জন অভিযুক্ত ছিল। এতদিন অধরা ছিল এই কবীর মোল্লা। বসিরহাট থেকে তাকে গ্রেফতার করল পুলিস। অন্য অভিযুক্তরা হল প্রভাস মণ্ডল , আনন্দ সর্দার ও দিবাকর সর্দার। এদের আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল।
ঘটনার তদন্তে নেমে মোট ৪ জনকে চিহ্নিত করে পুলিস। তার জেরেই গ্রেফতার করা হয় প্রভাস, আনন্দ ও দিবাকরকে। এর পাশাপাশি প্রবীর বলে একজনের নাম উঠে আসছিল। অভিযুক্তদের টাওয়ার লোকেশন দেখে তদন্তকারীরা দেখতে পান কবীর মণ্ডল নামে একজন ওইসব অভিযুক্তদের সঙ্গে রয়েছে। তাকে ধরতেই গতকাল জেলা পুলিস ও এসটিএফ অভিযান চালায়। বসিরহাট থেকে কবীরকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার দিন কবীর মোল্লা ঘটনাস্থলে উপস্থিতি ছিল। গোটা ঘটনায় কবীরেরও বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। প্রভাসদের সঙ্গে যে ঝুপড়িতে নারকীয় কাণ্ড ঘটে সেখানে উপস্থিত ছিল বলে জানা যাচ্ছে।
গতকালই বারুইপুরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি গিয়ে পুলিসকে অভিযুক্তদের ধরার জন্য সমসীমা বেঁধে দেন। তিনি পুলিস আধিকারকীদের সাসপেন্ড করতে চেয়েছিলেন। ডিজিপির মধ্য়স্থতায় পুলিসের জন্য সময়ে চেয়ে নেন। অন্যদিকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২০০ জনকে সনাক্ত করা হয়।
এদিকে, গতকাল রাত প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিটে বারুইপুর তদন্তকারী অফিসার (IO) তাঁর টিম নিয়ে বারুইপুর থানার অন্তর্গত সূর্যপুরে ঘটনাস্থলে অপরাধ পুনর্নির্মাণের জন্য রওনা দেন।
অপরাধ পুনর্নির্মাণ শুরু করার ঠিক আগে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল এক পুলিশ কর্মীর হাত থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে তদন্ত কারী টিমের দিকে ১ রাউন্ড গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করে। এরপর পুলিশের পাল্টা গুলিতে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল আহত হয়। তাঁকে দ্রুত বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

