জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাত পোহালেই শ্য়ামা-দিবস। গেরুয়াবঙ্গে মহা ধুমধাম। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে এবার ২ বছর ধরে চলবে 'ভারত কেশরী' ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন। আগামীকাল সোমবার কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে বিশেষ স্মারক অনুষ্ঠান।
কীভাবে কোটি কোটি বিপন্ন হিন্দুকে পাকিস্তানের হাত থেকে সেদিন একার হাতে রক্ষা করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ?
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। থাকবেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী শ্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যসচিব শ্রী মনোজ আগরওয়াল, সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব শ্রী বিবেক আগরওয়াল এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
'শ্য়ামা-দিবসে'র অনুষ্ঠানসূচি
--
ভবানীপুরে শ্যামপ্রসাদের বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করবেন অমিত শাহ-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
ইকো পার্কে 'ভূমিপুজন' ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ে ১২৫ ফুট মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
মিলন মেলা প্রাঙ্গণে ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির জীবন ও কর্মের ওপর একটি বিশেষ প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করা হবে। বিরল আলোকচিত্র, নথিপত্র এবং মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শনের মাধ্যমে এই প্রদর্শনীতে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনযাত্রা, আদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গি, শিক্ষা সংস্কার এবং ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্পোন্নয়নকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরা হবে।
মিলন মেলা প্রাঙ্গণের এই স্মারক অনুষ্ঠানে সমবেত কণ্ঠে 'বন্দে মাতরম' পরিবেশন করা হবে এবং এরপর সিসিআরটি (CCRT)-এর পরিবেশনায় 'সুর, সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্র' শীর্ষক এক জমকালো সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এই পরিবেশনায় ভারতীয় শাস্ত্রীয়, লোক ও ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতের বিভিন্ন ধারার ৫৭ জন প্রথিতযশা শিল্পী অংশ নেবেন, যা ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ঐক্যের চেতনাকে তুলে ধরবে। একটি সঙ্গীত-আখ্যান হিসেবে পরিকল্পিত এই অনুষ্ঠানটি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ, জাতীয় সংহতি, শিক্ষা এবং সভ্যতার মূল্যবোধ বিষয়ক চিরস্থায়ী আদর্শকে উদযাপন করে। সঙ্গীত পরিবেশনাটির পরিচালনায় রয়েছেন পদ্মশ্রী তরুণ ভট্টাচার্য।
অনুষ্ঠানটিতে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও অবদান নিয়ে নির্মিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও প্রদর্শিত হবে। এছাড়া, তাঁর প্রস্তাবিত ১২৫ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দৃশ্য সম্বলিত একটি বিশেষ ভিডিও-ও এই অনুষ্ঠানে প্রকাশ করা হবে। দেশজুড়ে আয়োজিত এই দুই বছরব্যাপী স্মরণোৎসবটি ভারতের অন্যতম প্রধান জাতি-নির্মাতার দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন; যা জাতীয়তাবাদ, জনসেবা এবং ভারতের ঐক্য ও অগ্রগতির প্রতি তাঁর অবিচল নিষ্ঠার আদর্শের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদেরApp,Facebook,Whatsapp Channel,X (Twitter),Youtube,Instagramপেজ-চ্যানেল)

