অর্ণবাংশু নিয়োগী: এক স্কুল ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয়ে ওঠে বারুইপুর। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় মানুষজন। এর মধ্যেই অভিযুক্ত সন্দেহে স্থানীয় এক যুবককে পিটিয়ে মারে জনতা। সেই ঘটনায় উত্সাহ দেওয়ার অভিযোগ গ্রেফতার করা হয় স্থানীয় সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে।
সেই লাহেক আলিকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
কেন জামিনের আবেদন করেছিলেন লাহেক? লাহেক আলির মা গুরুতর অসুস্থ। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। সেই কথা তুলেই জামিনের আবেদন করেন লাহেক আলি। পরিস্থিতি বিচার করে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ লাহেক আলিকে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ৫০ দিন জেলে রয়েছেন লাহেক আলি। তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৪টি সুয়োমোটো মামলা রয়েছে। লাহেক আলির বিরুদ্ধে হিংসায় উস্কানি দেওয়া, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে গোলমাল বাধানো, হিংসা ছড়ানো, দাঙ্গা বাধানো ইত্যাদি বহু অভিযোগ আনা হয়েছে। বারুইপুরের ওই ঘটনার পর গোলামালের একাধিক ভিডিয়ো ফুটেজ পুলিসের হাতে আসে।
জলে দুর্গন্ধ পেয়েই রমেশ ছাদে উঠে যান ট্যাঙ্ক পরীক্ষা করতে, ঢাকনা খুলতেই চোখ কপালে
পুলিসের পাশাপাশি যে জায়গায় ওই বিভত্স ঘটনা ঘটেছে সেই সূর্যপুরের বহু মানুষও একই কথা বলছেন। তাদের বক্তব্য, বাচ্চাটিকে যখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তখন সবাই মিলেই তাকে খুঁজছিল। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে কোনও কোনও ভাগাভাগি ছিল না। দেহ উদ্ধারের পরও মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ লাহেক আলি আসার পর পরিস্থিতি বদলে যায়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদেরApp,Facebook,Whatsapp Channel,X (Twitter),Youtube,Instagramপেজ-চ্যানেল)

