রাজীব চক্রবর্তী: দিল্লিতে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশংসা সাংসদ শতাব্দী রায়ের। বললেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো কংগ্রেসে ছিলেন, এখানে(দিল্লিতে)মন্ত্রী ছিলেন। তারপর NDA-তে ছিলেন, সেখানে মন্ত্রী ছিলেন। ওনাকে তো কেউ গদ্দার বলে না'।
শতাব্দী বলেন, 'আয়ুষ্মানের টাকা নেওয়া হয়নি, বাংলা ঘরের টাকা নেওয়া হয়নি।
এই প্রকল্পগুলি ছিল কেন্দ্রের। ২ টাকা, দু'টাকা যদি পেতাম, তাহলে আমার যে দু'টাকা আছে অন্য় খাতে ব্যবহার করতাম। ঝগড়ার জন্য যেহেতু নেওয়া হয়নি, ফলে আমারই দু'টাকা খরচ হয়েছে। রাজ্যের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ হতেই থেকেছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া, এত টাকা! উন্নয়ন আর হতে পারে না। এই টাকাগুলি যে যে খাতে যাচ্ছে। সেই মতো খরচ হলে, রাজ্য়ের টাকা বাঁচবে। রাজ্য অন্য খাতে খরচ করতে পারবে'।
বীরভূমের সাংসদ জানান, 'আমাদের এলাকা নিয়ে প্রস্তাব আমরা দিয়ে রেখেছি। আজকে যেটা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রস্তাব এসে গিয়েছে। সাংসদের বরাদ্দ নিয়ে স্পষ্ট ধারনা পেয়েছি'। তাঁর কথায়, 'শুভেন্দু একদম নিচুতলা রাজনীতি করে এসেছে। এমএলএ ছিল, এমপি ছিল, সেখান থেকে মুখ্য়মন্ত্রী হয়েছে। আমরা কোন কোন সমস্যায় পড়ি, মানুষের চাহিদা কোনটা, আমরা কী কী চাই, দিলে ভালো। ওর কাছে একদম ক্লিয়ার'।

