শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়: 'আমি মনে করি, যাঁদের নাম বলছে, তাঁদের মানহানির মামলা করা উচিত'। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক মদন মিত্র। তাঁর সাফ কথা, 'বলছে যে পুলিস দিয়ে বেঁধে রেখেছে.. যদি সত্যি পুলিস দিয়ে বেঁধে রাখে, তাহলে মদন মিত্রের উপর হত্যা করার চেষ্টা করা হল, তখন তো দল পাশে দাঁড়াল না।
আমরা সবাই তৃণমূল বিধায়ক। কুণাল পলিটিক্যাল সায়েন্সে পাস দিয়ে যাইনি। কুণালও তৃণমূল, আমিও তৃণমূল'।
মদনের দাবি, 'যাঁরা ফিরছে, তাঁদের উপর তৃণমূল এমন কোনও চাপ নিয়েছে। নিশ্চিতভাবেই তাঁদের লাগেজ-ব্যাগেজ আছে। গত ১৫ বছরে তাঁদের কোনও কাজ লুকানো আছে। যা নিয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যে তৃণমূলের প্রতীক ঠিক হয়েছে। গত ১৫ বছরে হিমালয়ান ব্লান্ডার করেছেন আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা যদি কেন্দ্রের সঙ্গে ঝগড়ায় না গিয়ে উন্নয়নের স্বার্থে... সেই ভুলে প্রায়শ্চিত্ত করছি আমরা'।
মদনের চ্যালেঞ্জ, 'কুণালের এই কথাটার আদৌ মূল্য আছে কিনা জানি না। কুণালের যদি সাহস থাকে, ও জানে আমি আর কুণাল অভিষেককে কী বলেছিলাম। হাঁটু গেড়ে বসে অভিষেককে বসেছিলাম, দয়া আমাদের কিছুটা সময় দিন'। বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যে বিজেপির সঙ্গে যাওয়া যায়, সেটা প্রথম দেখিয়েছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মমতা সবার আগে দলত্যাগে পড়ূবেন। আজ কাকলিরা যে কাজ করছে, সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় করেছিলেন। এবার ভুল হলে উনিও ভুল'।
দিল্লিতে তৃণমূল ছেড়ে NCPI-তে চলে গিয়েছেন ২০ সাংসদ। NDA-কে সমর্থন জানিয়েছে NCPI। মদন বলেন, 'দিল্লির ব্যাপার আমাদের থেকে আলাদা। পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রথম যদি কেউ NDA সঙ্গী হয়ে থাকেন, তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'।
এর আগে, ঋতশিবিরের কয়েকজন বিধায়ককে 'জেনেটিক গদ্দার' বলে কটাক্ষ করেন কুণাল। তাঁর দাবি, ঋতব্রত শিবিরে কোনও বিধায়ক নেই। চব্বিশ ঘণ্টা সময় লাগবে। পুলিস না থাকলে ওদের ৫৬ বিধায়ককে নিয়ে বিধানসভায় মিছিল করব'।

