জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: গেরুয়াবঙ্গে এবার এনকাউন্টার। বারুইপুর কাণ্ডে খতম মূল অভিযুক্ত। উসকানি দিতে পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? মিছিলকে লক্ষ্য ডিম, 'চোর চোর' স্লোগান! বিজেপি ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে মারপিট। পরিস্থিতি এমন জায়গা পৌঁছল যে, মেজাজ হারিয়ে নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড় মারলেন মমতা।
বালিগঞ্জে ধুন্ধুমারকাণ্ড।
বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে মমতা। হাইকোর্টের অনুমতি বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে কালীঘাট পর্যন্ত মিছিল। সেই মিছিলকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা! বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে তখন সবেমাত্র মিছিল শুরু হয়েছে। অভিযোগ, কিছু দূর এগোতেই মিছিলকে লক্ষ্য ডিম ছোঁড়েন বিজেপি কর্মীরা। 'চোর চোর' স্লোগান। এরপরই দু'পক্ষের মধ্য়ে শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি।
আহত তৃণমূলকর্মী হাজির হন কালীঘাটে মমতার বাড়িতে। ভিড় সামলাতে রাস্তায় নামেন তৃণমূলনেত্রী। হ্যান্ড মাইক নিয়ে তখন নিজেই তদারকি করছিলেন। হঠাত্ মেজাজ হারান তৃণমূল। এক ব্যক্তিকে সপাটে চড়ে মারেন। সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তি তৃণমূলেরই কর্মী। মমতা বলেন, 'হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে ছাত্র যুব শাখা মিছিল করেছিল। সবার গণতান্ত্রিক অধিকার আছে। হাইকোর্ট অনুমতি দিয়েছে'। তাঁর অভিযোগ, 'বিজেপি কর্মীরা সকাল থেকে এসে হামলা চালিয়েছে। আমাকে ভয় দেখিয়েছে, চিত্কার করেছে। আমার বাড়ি সামনে...পুলিস দাঁড়িয়েছিল। যে আসে নোট করে, প্রেসকে ঢুকতে দেয় না'।
মমতার আরও বক্তব্য, 'এমনিতে আমাদের কোথাও যেতে দেওয়া হচ্ছে না। হাউস অ্য়ারেস্টের মতো করে রেখেছে। আমাদের উপর নজর রাখছে। আর যেখানে মেয়েরা ধর্ষিতা হচ্ছে, সেখানে পুলিস পাওয়া যাচ্ছে না। সকাল ৬ টা থেকে ডিজে বাজিয়েছে। পুরো এলাকায় তাণ্ডব করেছে। আমার বাড়ি থেকে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি পর্যন্ত। গুণ্ডাদের নিয়ে এসেছে। মেয়েদের গা হাত গিয়েছে। এত জঘন্যতম ঘটনা ঘটছে! এই পরিবর্তন কী বাংলার মানুষ চেয়েছিল'। বিজেপিকে কটাক্ষ, 'যারা রামের টাকা চুরি করে খায়। যারা প্রণামী বাক্স থেকে টাকা চুরি করে, তাঁরাই রামের নামে শ্লোগান দিয়ে রামের অবমাননা করছে। আমি বলি 'রামকা নাম বদনাম না করো'।
'বিকাশ বাবু যত কম বলেন ততই মঙ্গল', বারুইপুর এনকাউন্টার বিতর্কে কড়া জবাব শমীকের

