অয়ন ঘোষাল: বেহালার বিভিন্ন জায়গা থেকে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় অফিস যেতে এবং ফিরতে নিত্যদিনের ভোগান্তি। বেহালা ঠাকুরপুকুর অঞ্চলের মানুষের মূল ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে অটো। সম্পূর্ণ রুটে বহু জায়গায় কোনও অটো যায় না। কেটে কেটে অটো চলে। নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত মানুষের এক পিঠের যাতায়াতে কখনও ৫০ টাকা, কখনও ৬০ টাকা বেরিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, একটা সময় বেহালা ঠাকুরপুকুর-সরশুনা-শকুন্তলা রুটে প্রচুর সরকারি বাস চলত। বিগত ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় বাসের সংখ্যা কমতে শুরু করে। বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক এবং রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ গতকাল প্রায় উবে যাওয়া এই বাসের তালিকা নিয়ে পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন। সকালে এবং বিকেলে অফিস টাইমে কোন কোন রুটে সরকারি বাসের প্রয়োজন সেই তালিকা তুলে দেন।
দুর্যোগ এখনই কাটছে না, কলকাতা-সহ ৭ জেলায় ভারী বৃষ্টির কমলা-লাল সতর্কতা
পরিবহন মন্ত্রীকে ক্রীড়ামন্ত্রী যে তালিকা তুলে দিয়েছেন সেখানে তিনি লিখেছেন, বেহালা পশ্চিমের বিভিন্ন এলাকায় বাসের যোগাযোগের জন্য় আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শকুন্তলা পার্ক, সরশুনা, পর্ণশ্রী, অক্সিটাউন, ঠাকুরপুকুর ও সন্নিহিত এলাকার সঙ্গে এসপ্ল্যানেড, শিয়ালদহ স্টেশন, কলেজস্ট্রিট, হাওড়া স্টেশন-সহ অন্যান্য এলাকার যোগাযোগের উন্নতির প্রয়োজন। যেসব রুটে বাসের প্রয়োজন সেগুলি হল-
৭এ (7A): সরশুনা থেকে হাওড়া স্টেশন
১২এন (12N): ঠাকুরপুকুর থেকে নবান্ন
এসি-৪ (AC-4): পর্ণশ্রী থেকে হাওড়া স্টেশন
এসি-৪এ (AC-4A): পর্ণশ্রী থেকে সাপুরজি
এসি-৩১ (AC-31): বেহালা চৌরাস্তা থেকে যাদবপুর
এম-৭বি (M-7B): শিবরামপুর (শাকুন্তলা পার্ক) থেকে হাওড়া স্টেশন
এম-৭সি (M-7C): ষষ্ঠীর মোড় থেকে হাওড়া স্টেশন
এম-৭ডি (M-7D): সোনামুখী বাজার থেকে কাঁকুড়গাছি
এম-১৪ (M-14): বেহালা থেকে নিউ টাউন
এস-৩এ (S-3A): ঠাকুরপুকুর থেকে শিয়ালদহ
এস-৩বি (S-3B): বেহালা থেকে কাঁকুড়গাছি
এস-৪ (S-4): পর্ণশ্রী থেকে করুনাময়ী
এস-৪ডি (S-4D): পর্ণশ্রী থেকে ইকো স্পেস
এস-১২ডি (S-12D): ঠাকুরপুকুর থেকে হাওড়া স্টেশন
এস-১৬ (S-16): ঠাকুরপুকুর থেকে সল্টলেক
এস-৪৫ (S-45 - সম্পূর্ণ পুনর্বহাল): শাকুন্তলা পার্ক থেকে কলকাতা স্টেশন
যাত্রীদের সুবিধার্থে সকাল ৬:০০ টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা এবং বৈকাল ৪:০০ টে থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত প্রতি আধঘণ্টা অন্তর বাস চলাচলের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে পরিবহন দপ্তর যাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে, চিঠিতে সেই আর্জি জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

