জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: 'আমি ওঁদের মুখে নীতিকথা শুনব না'। বিধায়কদের কর্মশালা থেকে বেরিয়ে গেলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, 'আমার যদি পরিষদীয় রাজনীতির খুঁটিনাটি শেখার থাকে, আমি প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শিখছি'।
'এই অফিসটা আমাদের', তালা ঝুলিয়ে তৃণমূল ভবন 'কব্জা' ঋত শিবিরের! ছুটে এলেন মমতাপন্থীরাও
রাজ্য বিধানসভার বিধায়ক নিয়ে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার ২ দিনের কর্মশালা। উদ্যোক্তা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। আজ, শুক্রবার ছিল প্রথমদিন। প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণালও। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই ওয়াকআউট করেন কুণাল।
ফেসবুক পোস্টে কুনাল জানিয়েছেন, 'আমার কর্তব্য ছিল আজ বিধানসভার অধ্যক্ষ আয়োজিত বিধায়কদের কর্মশালায় উপস্থিত থাকা। বন্দেমাতরম, জনগণমন, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন পর্যন্ত ছিলাম। আমি লোকসভা, বিধানসভার অধ্যক্ষ, মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর চেয়ারকে সম্মান করি। কিন্তু এটা আমার সিদ্ধান্ত যে আমি কিছু ব্যক্তির বক্তব্য শুনব কি না। আমি ঠিক করলাম, শুনব না। এটা আমার সিদ্ধান্ত, বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে বেরিয়ে এসেছি'।
কুণালের বক্তব্য, 'লোকসভার অধ্যক্ষ সম্মানীয়। কিন্তু তিনি তৃণমূলের দল ভাঙানোর চেষ্টার সাংসদদের বরখাস্ত করার বদলে ছাড় দিচ্ছেন। রাজ্যের অধ্যক্ষকে সম্মান করি, কিন্তু তিনি নিরপেক্ষ কাজ করছেন বলে অনুভব করছি না। আগের দিন আমাকে অন্যায়ভাবে বলতে দেওয়া হয়নি। আমি ওঁদের মুখে নীতিকথা শুনব না'।
এবার প্রথম জিতে বিধায়ক হয়েছেন কুণাল। তাঁর সাফ কথা, 'আমার যদি পরিষদীয় রাজনীতির খুঁটিনাটি শেখার থাকে, আমি প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শিখছি। 1990 থেকে বিধানসভা কভার করছি রিপোর্টার হিসেবে। স্পিকার হালিমসাহেবকে দীর্ঘকাল কাছ থেকে দেখেছি। পরে পার্লামেন্ট কভার করেছি সাংবাদিক হিসেবে। রাজ্যসভার সদস্য ছিলাম। ফলে কিছু ধারণা আছে। বাকি শেখার জন্য আজ ওখানে বসে থাকার দরকার ছিল বলে মনে করিনি'।
সরকারি অফিসে চক্কর কাটার দিন শেষ! ঘরে বসে বিনামূল্য়েই এবার... বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)

