বরুণ সেনগুপ্ত: আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে বড় আপডেট। বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে। অভয়ার মৃতদেহকে তড়িঘড়ি দাহ করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার অভিযোগে এবার গ্রেফতার পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে তাকে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিস।
শুক্রবার তাকে খড়দহ থানায় আনা হবে।
এর আগে ওড়িশার বিভিন্ন জায়গা, হায়দরাবাদে সোমনাথ দে-র খোঁজে তল্লাশি করেছিল পুলিস। আজ বেঙ্গালুরুর সিটি সিভিল কোর্টে তোলা হবে সোমনাথ দে-কে। উল্লেখ্য, এর আগে অভয়া খুনের তথ্যপ্রমাণ ধ্বংসের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় নির্মল ঘোষের ঘনিষ্ঠ তথা তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও।
প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় গত ১৩ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ। ঠিক এক মাসের মাথায়, ১৩ অগাস্ট আরজি করকাণ্ডে পুলিসের জালে বাবা নির্মল ঘোষ।
২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি করের সেই মর্মান্তিক ঘটনার দিন পুলিস ও স্বাস্থ্যকর্তাদের উপস্থিতিতে তড়িঘড়ি তরুণী চিকিৎসকের দেহ বের করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো প্রকার নিয়মকানুন বা পরিবারের সুস্পষ্ট অনুমতি ছাড়াই অত্যন্ত প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতার নির্দেশে দ্রুত দেহ দাহ করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে গোটা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া যায়।
৪ মের পর তিনি এলাকা ছেড়েছিলেন এবং নতুন করে আরজি কর সংক্রান্ত ফাইল খোলা হতেই তিনি গা ঢাকা দেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি। এই ঘটনায় যুক্ত পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে এখনও পলাতক রয়েছে এবং পুলিস তাঁর সন্ধানে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে।
পচাগলা দেহের ভিড়ে প্রিয়জনকে চেনা দায়! নেপালের হাসপাতালে দিশেহারা স্বজনদের হাহাকার

