Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
সরকারি স্কুলে উপস্থিতি সিস্টেমে বিরাট বদল, আপডেট এবার সরাসরি অভিভাবকের মোবাইলে

সরকারি স্কুলে উপস্থিতি সিস্টেমে বিরাট বদল, আপডেট এবার সরাসরি অভিভাবকের মোবাইলে

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: স্কুলে পড়ুয়াদের আসা-যাওয়ার সময়সীমা এবার সরাসরি নোটিফিকেশন যাবে অভিভাবকের মোবাইলে। বেসরকারি স্কুলের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল নদিয়া জেলার শান্তিপুরের কানাই বঙ্গ স্মৃতি প্রাথমিক স্কুল। অনেক সময় সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় থাকেন- সন্তান ঠিক সময়ে স্কুলে পৌঁছাল কি না কিংবা কখন স্কুল ছুটি হচ্ছে।

অভিভাবকদের এই উদ্বেগ দূর করতে এবং পড়ুয়াদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাইমারে স্কুলেও এবার ডিজিটাল স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। চালু হল একটি অ্যাপ।

কীভাবে কাজ করবে এই নতুন সিস্টেম? পড়ুয়াদের দেওয়া আইডি কার্ডে যুক্ত করা হয়েছে একটি 'আরএফআইডি' বা RFID (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন) প্রযুক্তি। ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে ঢোকার সময় বা বেরোনোর সময় তাদের আই কার্ডটি স্ক্যানারের কাছে বা ডিভাইসের কাছে নিয়ে গেলেই তা মুহূর্তের মধ্যে শনাক্ত হয়ে যাবে। ঠিক সেই সময়েই 'ডিভাইন অ্যাকাডেমি' নামে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অভিভাবকদের স্মার্টফোনে স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রতিম সেন জানিয়েছেন যে, কয়েকজন শিক্ষক মিলে যৌথভাবে এই আধুনিক প্রযুক্তির অ্যাপটি তৈরি করেছেন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই পরিষেবা পাওয়ার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ বা অভিভাবক-কাউকেই কোনও বাড়তি খরচ বহন করতে হচ্ছে না। পুরো পরিষেবাটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। কেবল স্কুলে উপস্থিতি বা প্রস্থান নয়, এই অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকরা পড়ুয়াদের প্রতিদিনের 'হোম ওয়ার্ক'-ও অভিভাবকদের জানিয়ে দিতে পারবেন। এর ফলে বাবা-মাকে আর ছোটখাটো বিষয়ে খবরাখবর নিতে স্কুলে গিয়ে সময় আর নষ্ট করতে হবে না।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলিতে অনেকদিন ধরেই অ্যাপ নির্ভর ডিজিটাল স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চলছে। এবার সরকারি প্রাইমারি স্কুলেও চালু হল সেই ব্যবস্থা। নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকে এক অনুষ্ঠানে এই যুগান্তকারী প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিধায়ক স্বপন দাস, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে বিধায়ক জানান, এটি একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ এবং প্রতিটি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ধরনের প্রযুক্তি চালু করা দরকার। অভিভাবকরাও স্কুলের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

ট্যাঙ্কের জলে মরে পচে পাখি! বড় বড় পোকা! সেই জলেই বাচ্চাদের মিড-ডে মিল রান্না, ভয়ংকর

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Zee News Bengali