বিধান সরকার: বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল। চন্দননগরেও হেরেছেন ক্ষমতাচ্যুত শাসক দলের প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেনের। সেই পরাজয়ে টালমাটাল অবস্থা হয়েছে এখন কর্পোরেশনের। ৩৩ ওয়ার্ড বিশিষ্ট চন্দননগর কর্পোরেশনে ৩১ জন তৃনমূল কাউন্সিলর ছিলেন। ২ জন সিপিআইএম-এর। শুক্রবার সকালে পাঁচজন কাউন্সিলর পদত্যাগ করেন।
আর রাতে ২৫ জন পদত্যাগ পত্র দেন কর্পোরেশনের চেয়ারপারসন স্নিগ্ধা রায়ের কাছে। মেইল মারফত পদত্যাগ পত্র কমিশনারকেও পাঠিয়ে দেন কাউন্সিলররা।
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে রাজ্যে মৃত সাত, ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
নিয়ম অনুযায়ী চেয়ারপারসন পদত্যাগ পত্র কর্পোরেশনের কমিশনারের কাছে পৌঁছে দেবেন। পদত্যাগ করে চন্দননগরের বিদায়ী মেয়র রাম চক্রবর্তী বলেন, 'বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের পরাজয় হয়েছে। মানুষের রায় মাথা পেতে নিয়েছি ।তারপরও ভেবেছিলাম পুরো নিগমের পরিষেবা চালিয়ে যেতে পারব। কিন্তু পুরো নগর উন্নয়ন দফতর থেকে নির্দেশ দেওয়া হল পুরসভার খরচের অডিট হবে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও থাকল না। সামান্য চায়ের খরচ, গাড়ির তেলের খরচ সেগুলিও আমরা পাচ্ছিলাম না। নাগরিকদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হবে মনে করে, কয়েকদিন অপেক্ষার পর আমরা পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। যদি কোনও কাজই না করতে পারি তাহলে চেয়ার আগলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। নাগরিকদের কাছে আমাদের জবাব দিতে হবে ।তাই এই সিদ্ধান্ত। আমাদের পদত্যাগ করার জন্য কেউ জোর করেনি। নতুন সরকার তৈরি হয়েছে আশা করি তারা মানুষের পরিষেবার দিকে নজর দেবেন। চন্দননগর খুব সুন্দর একটি শহর। এই শহরকে রক্ষা করতে হবে সবাই মিলে। নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকবে।'
চন্দনগর কর্পোরেশনের আরও একজন তৃণমূল কাউন্সিলর যদিও এতদিন পদত্যাগ করেননি। পদত্যাগ করেননি সিপিএমের দুই কাউন্সিলরও।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)

