Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
TMC Leader Diesel Scam: তৃণমূল নেতা 'লাদেন'-এর বড়সড় 'ডিজেল সিন্ডিকেট' ফাঁস! গোডাউন দেখে চোখ ছানাবড়া পুলিসেরই

TMC Leader Diesel Scam: তৃণমূল নেতা 'লাদেন'-এর বড়সড় 'ডিজেল সিন্ডিকেট' ফাঁস! গোডাউন দেখে চোখ ছানাবড়া পুলিসেরই

বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়: রাতের অন্ধকারে চলা কথিত ডিজেল পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ নিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রানিগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির উপ-সভাপতি এবং ইসিএলের তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের নেতা সাবির মিয়া ওরফে 'লাদেন'-এর একটি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুত করে রাখা হয়েছিল।

স্থানীয়দের তৎপরতায় সেই ডিজেল পাচারের চেষ্টা আটকে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের রানিগঞ্জ থানার অন্তর্গত অমৃতনগর কোলিয়ারি এলাকায়।

TMC Councillor Arrested: পুলিসের জালে মাছ চোর! ভেড়িতে চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও TMC-র হেভিওয়েট

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অনৈতিক ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিযুক্ত নেতা। এলাকাবাসীর দাবি, কোলিয়ারির একাধিক আবাসন দখল করে একটি ক্লাবের আড়ালে ডিজেল মজুত ও পাচারের ব্যবসা চালানো হচ্ছিল। শুধু ডিজেলই নয়, পঞ্চায়েতের ত্রাণ তহবিলের জন্য বরাদ্দ ত্রিপলও সেখানে মজুত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের সঙ্গে যুক্ত মোট তিনটি গোডাউনের মধ্যে দু'টিতে ডিজেল মজুত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তবে এখনও একটি ঘর খোলা হয়নি। ফলে সেখানে কী রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের রানিগঞ্জ থানার পুলিস। পুলিস গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কোথা থেকে এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল আনা হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে তা মজুত করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত- সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাবির মিয়ার বিরুদ্ধে অতীতেও ডাকাতি, বোমাবাজি, মারধর, লুটপাট এবং শ্রমিকদের কাছ থেকে জোর করে তোলা আদায়ের মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। যদিও এই অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত নয়। তবে স্থানীয়দের বক্তব্যের ভিত্তিতে পুলিস সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে।

Swachh App: চালু 'স্বচ্ছ অ্যাপ', বদলে যাবে চেনা মানচিত্র! রাজ্যের এই ৪ শহরের জন্য অপেক্ষা করছে বড় চমক

অন্যদিকে, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল) কর্তৃপক্ষও পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছে। কোলিয়ারি এলাকার সম্পত্তি দখল এবং বেআইনি কার্যকলাপের অভিযোগ নিয়েও অনুসন্ধান চলছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, ইসিএলের কিছু আধিকারিকের মদতেই এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল। ফলে তদন্তের পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন নজর রয়েছে পুলিসের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। অভিযুক্তকে কত দ্রুত গ্রেফতার করা হয় এবং ইসিএল কর্তৃপক্ষ কী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকার মানুষ।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Zee News Bengali