Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'ভোটচুরি' রুখতে এবার বিশেষ পর্যবেক্ষক তৃণমূলের, গণনাকেন্দ্রে পাহারায় থাকছেন সৌগত-ফিরহাদ-সায়নীরা!

'ভোটচুরি' রুখতে এবার বিশেষ পর্যবেক্ষক তৃণমূলের, গণনাকেন্দ্রে পাহারায় থাকছেন সৌগত-ফিরহাদ-সায়নীরা!

ভোট গণনার ঠিক আগে ইভিএম কারচুপি এবং ফলাফল বদলে যাওয়ার আশঙ্কায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে রাজ্যের প্রতিটি জেলা ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে বিশেষ ‘কাউন্টিং অবজার্ভার’ বা গণনা পর্যবেক্ষক। মূলত দলের সাংসদ এবং অভিজ্ঞ বর্ষীয়ান নেতাদের ওপর এই গুরুদায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে।

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই ভিডিও বার্তায় দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছিলেন যাতে ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। এবার সেই সতর্কতাকেই আরও নিশ্ছিদ্র করতে জেলাভিত্তিক পর্যবেক্ষক তালিকা প্রকাশ করল ঘাসফুল শিবির।

কারচুপি রুখতে কড়া নজরদারি ও সতর্কবার্তা

তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের আশঙ্কা, গণনার সময় বিজেপির প্রাপ্ত ভোট কম্পিউটারে কারচুপি করে বাড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। এই সম্ভাবনা রুখতে দলের এজেন্টদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম ও ব্যারাকপুরের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস তথা রাজ্যসভা সদস্য রাজীব কুমারকে। উত্তর কলকাতায় নজরদারির দায়িত্বে থাকছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও বিবেক গুপ্ত। দক্ষিণ কলকাতার জন্য অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিমের ওপর ভরসা রেখেছে দল। মেদিনীপুর ও হুগলির মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতেও সায়নী ঘোষ, দেব, জুন মালিয়া ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েটদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আইনি লড়াই ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট

গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তৃণমূল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত দ্বারস্থ হয়েছিল। কাউন্টিং সুপারভাইজার হিসেবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের বিরোধিতা করলেও সর্বোচ্চ আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়মানুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগে কোনো বাধা নেই। এই আইনি ধাক্কার পরই তৃণমূল নিজস্ব পর্যবেক্ষক দল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। রাজনৈতিক মহলের মতে, গণনাকেন্দ্রে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এবং যেকোনো প্রকার প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত ত্রুটি তৎক্ষণাৎ মোকাবিলা করতেই এই বিশেষ রণকৌশল নেওয়া হয়েছে। ৭৭টি গণনা কেন্দ্রেই এখন শাসকদলের এই বিশেষ নজরদারি দলের গতিবিধির ওপর নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Barta