Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
আঙুল উঁচিয়ে হুঁশিয়ারি! পুরকর্মীর বেপরোয়া আচরণ ঘিরে বিতর্ক দুর্গাপুরে

আঙুল উঁচিয়ে হুঁশিয়ারি! পুরকর্মীর বেপরোয়া আচরণ ঘিরে বিতর্ক দুর্গাপুরে

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর পুরসভার এক কর্মীর বেপরোয়া আচরণ ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক ছড়িয়েছে শহর জুড়ে। স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা পাওয়ার আশায় বার বার সরকারি দফতরে ঘুরছেন দুর্গাপুরের বাসিন্দা শিবকুমার মণ্ডল। বৃহস্পতিবার তিনি দুর্গাপুর পুরসভায় গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলে পুর কর্মী স্বপ্নেন্দু ভৌমিক ওরফে জয় তাঁকে আঙুল উঁচিয়ে হুঁশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ।

তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'আমি স্বপ্নেন্দু ভৌমিক, যান যেখানে যা কমপ্লেন করার করুন।'এমন একটি ভিডিয়ো (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি 'দুর্গাপুর দর্পণ') সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

শিবকুমারের দাবি, তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় স্বল্প বেতনের চাকরি করেন। কোনও রকমে সংসার চলে। অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে নাজেহাল দশা তাঁর। এই পরিস্থিতিতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অনুদানের জন্য তিনি আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনও না কোনও কারণে প্রতিবার তাঁর আবেদনপত্র বাতিল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

তিনি জানান, প্রতিবার অফিসে আসতে তাঁকে কাজ থেকে ছুটি নিতে হয়েছে। এতে তাঁর রোজগারের ক্ষতি হয়েছে। বাড়িতে অসুস্থ স্ত্রীকে রেখে দিনের পর দিন আসা যাওয়া করেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তিনি এদিন পুরসভায় গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপরই ওই কর্মীর সঙ্গে বচসা বাধে। বেপরোয়া ভঙ্গীতে ওই কর্মী শিবকুমারের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। অন্যান্য কর্মী ও আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আসানসোল-দুর্গাপুর মেট্রো প্রকল্পের সমীক্ষার দায়িত্ব পেল 'রাইটস'

দেড় লক্ষ শ্রমিকের মুখে হাসি ফেরালো রাজ্য সরকারের শ্রম দফতর

পুরসভার কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম জানান, পুরসভার কর্মীদের তিনি জানিয়েছেন, কেউ কোনও অভিযোগ নিয়ে এলে ধৈর্য্য ধরে শুনতে হবে এবং তার সমাধান করার চেষ্টা করতে হবে। কারওর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপিএমের আমলে রথীন রায় মেয়র থাকাকালীন স্বপ্নেন্দুর দাপট চরমে উঠেছিল। মাঝে তৃণমূল আমলে কিছুটা হলেও নমনীয় থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এদিনের এই ঘটনায় ফের তাঁর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। ঋতব্রত তৃণমূলের কর্মী পঙ্কজ রায় সরকার বলেন, 'স্বপ্নেন্দুর বাবা সুখেন ভৌমিক পুরসভার চালক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরে স্বপ্নেন্দু চাকরি পায়। সুখেনবাবু এমন আচরণ করতেন না। একজন সরকারি কর্মী হিসাবে স্বপ্নেন্দুর আচরণ দুর্ভাগ্যজনক।' জেলা বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল বলেন, 'সাধারণ মানুষ নতুন সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে। কাজেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারি কর্মীর বেপরোয়া আচরণ মেনে নেওয়া হবে না। আমরা তাঁকে সাবধান করে দিচ্ছি।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Durgapur Darpan