নিজস্ব প্রতিনিধি: বারুইপুরে প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টার কাণ্ডে তদন্ত করবে সিআইডি। আজ, বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে এমনটাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারুইপুরের এনকাউন্টারের সমস্ত রিপোর্ট গতকাল, বুধবারই নেন রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। তারপরেই গোটা বিষয়টির তদন্তের জন্য সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছে বিজেপি সরকার।
বারুইপুরকাণ্ডে পুলিশের গুলিতে খতম হয়েছে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় তার। মঙ্গলবার গভীর রাতে (১২.৪৫ মিনিট নাগাদ) ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুরে গিয়েছিলেন সিটের সদস্যরা। সেখানে ঘটনার পুনর্নির্মাণ চলাকালীন অভিযুক্ত প্রভাস আচমকা পালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।
আরও পডুন: দিঘায় সমুদ্রে নামতে পারবেন না পর্যটকরা! জারি নিষেধাজ্ঞা
তদন্তকারীদের দাবি, সে এক পুলিশ আধিকারিকের সার্ভিল রিভলভার কেড়ে নিয়ে গুলি চালানোরও চেষ্টা করেছিল। এরপর আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালিয়েছিল। সেই গুলি লাগে প্রভাসের গায়ে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেছিলেন। গোটা বিষয়টি নিয়ে গতকাল, বুধবার বারুইপুরের পুলিশ সুপার অরবিন্দ কুমার আনন্দ একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, 'মঙ্গলবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে বারুইপুর থানার কেস নম্বর ১৩৫০/২৬-এর তদন্তকারী অফিসার তাঁর টিমের সঙ্গে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে অপরাধের ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অকুস্থলে যান। ঘটনার পুনর্নির্মাণ শুরু হওয়ার ঠিক আগে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের এক জনের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে আমাদের টিমের উপর এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং ওই জায়গা থেকে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের তরফে পাল্টা গুলি চালানো হলে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল জখম হয় এবং তাকে অবিলম্বে বারুইপুর হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হচ্ছে।'

