নিজস্ব প্রতিনিধিঃ এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়া। চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এবার সম্প্রতি তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছে পুলিশ। তদন্তের জেরে গ্রেফতারি বা অন্য কোনও কড়া পদক্ষেপের আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।
অভিযোগকারী বিকাশ টুঙ্গের দাবি, তাঁর স্ত্রীকে সেচ দপ্তরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার নামে মানস ভূঁইয়ার মধ্যস্থতায় মোট ৫ লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ অনুযায়ী, চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর দুই মাস কাজ করেন ওই মহিলা। তবে চলতি বছরের মে মাসে তাঁকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই প্রতারণার অভিযোগ তুলে সবং থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ৩১৮(৪) ও ৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। মামলার তদন্ত এগোতে থাকায় মানস ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এর আগে গ্রেফতারি এড়াতে মেদিনীপুর জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে নথি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে গত ১৮ জুন মামলার শুনানি স্থগিত হয়ে যায়। এরপরই তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
আরও পড়ুনঃ জমি-বাড়ি হাতানোর অভিযোগ অতীন ঘোষের বিরুদ্ধে, দায়ের FIR
অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মানস ভূঁইয়া। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই তাঁকে হেয় করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনও দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তাঁর নাম জড়ায়নি। আদালতের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এখন হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

