Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ৫৮ তৃণমূল বিধায়কের, স্পিকারকে চিঠি

মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ৫৮ তৃণমূল বিধায়কের, স্পিকারকে চিঠি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভেঙে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস! অন্তত কয়েকদিন ধরে এমনই জল্পনা চলছিল। তবে আজ, বুধবার সেই জল্পনার অবসান ঘটতে চলেছে বলে অনুমান রাজনৈতিক মহলের। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বিধানসভায় পৌঁছেছেন দলেরই একাধিক বিধায়ক। এদিন বিধানসভায় আগে পৌঁছতে দেখা যায় তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

তিনি বিধানসভায় ঢুকেই সোজা চলে যান স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর ঘরে। সূত্রের খবর, ৫৮ জন তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনের চিঠি নিয়ে বিধানসভায় এসেছেন বিধায়ক ঋতব্রত। আজই বিধানসভায় বিরোধী দলের দাবি জানিয়ে স্পিকারের কাছে চিঠি দেবেন তিনি, এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। সঙ্গে নির্বাচিত হবে বিধানসভার বিরোধী দলনেতাও। বিধানসভায় প্রবেশের মুখে এদিন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তৃণমূল বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘আজকে আমরা বিরোধী দলনেতা সিলেক্ট করার জন্য মিটিং করব।’ ইতিমধ্যেই বিধানসভার নৌশদ আলি কক্ষে বৈঠক শুরু হয়েছে। তাতে উপস্থিত রয়েছেন ৫৮ জন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়ক।

আরও পডুন: 'মহারাজ' সৌরভের জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার রাজ্য সরকারের

তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহ শুরু হয় সই জাল কাণ্ডের জেরে। গত ৬ মে- কালীঘাটে তৃণমূলের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা বাছার কোনও রেজোলিউশন (প্রস্তাব) পাস হয়নি। স্রেফ একটি উপস্থিতির খাতায় বিধায়কদের সই করানো হয়, এমনটাই দাবি ছিল ঋতব্রতদের। সেই সইগুলিকেই একটি চিঠিতে জাল করে বসানো হয়। অভিযোগ, সেই চিঠি বিধানসভার স্পিকারের কাছেও পাঠান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় বিরোধী দলের তকমা চেয়ে স্পিকারকে চিঠি দেন অভিষেক। যদিও সেই চিঠিতে থাকা বিধায়কদের সই জাল করা হয়েছে বলে স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। তারপরেই বিষয়টি রাজ্যের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে জানিয়েছিলেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। এই সই জাল কাণ্ডে হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলা দায়ের হয়। তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গোটা বিষয়টি গত সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন শুরু হয়। গত সোমবার রাতেই ঋতব্রতের নেতৃত্বে বাইপাসের ধারে একটি হোটেলে বৈঠক করেন একাধিক তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রের খবর, সেদিনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দুই-তৃতীয়াংশ তৃণমূল বিধায়ক একসঙ্গেই সই করে বিধানসভায় বিরোধী দলের দাবি জানাবে স্পিকারের কাছে। তবে এক্ষেত্রে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছুই জানানো হয়নি বা হবে না বলেই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।

ঠিক মহারাষ্ট্রের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে বাংলাতেও, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। উদ্ধব ঠাকরের সরকার ভাঙতে যেভাবে একনাথ সিন্ধের নেতৃত্বে শিবসেনার বিধায়করা বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন সেই পথেই হেঁটেছে ঘাসফুল শিবির। একইভাবে শরদ পাওয়ারের এনসিপি-কে ভেঙে দেন খোদ অজিত পাওয়ার। বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে আলাদা এনসিপি দল গড়েন তিনি।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte