Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বারুইপুরে, জানালেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বারুইপুরে, জানালেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার

নিজস্ব প্রতিনিধি: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও জোরালো হল। ঘটনার প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর আজ মঙ্গলবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন এলাকার সাংসদ সায়নী ঘোষ। রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর এলাকায় প্রবেশকে ঘিরে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পুলিশের কিছুক্ষণ বাকবিতণ্ডা হয়। পড়ে স্থানীয় সাংসদ হওয়ায় শুধুমাত্র সায়নী ঘোষকে ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এদিকে বাইরে অপেক্ষারত কাকলি ঘোষ দস্তিদার সাংবাদিকদের জানান, ‘মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের পাঠিয়েছেন। এমন নৃশংস ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি দিতে তৎপর প্রশাসন। এই সময়ে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন তাঁরা।’

আরও পড়ুন: তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলা নিয়ে ফের ধাক্কা মমতার

উল্লেখ্য, রবিবার (৫ জুলাই) ভোরে বারুইপুরের সূর্যপুরে ১২ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ অ্যাকশনে নেমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তারপরেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, দোলা সেন এবং বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় নির্যাতিতার বাড়িতে যান। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই দিনে বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে মোমবাতি মিছিলেও অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার সকালে আবারও তৃণমূলের আর একটি প্রতিনিধিদল বারুইপুরে পৌঁছয়। সেই দলে ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ সায়নী ঘোষ, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শিউলি সাহা। প্রথমে পুলিশ তাঁদের প্রবেশে আপত্তি জানালেও পরে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হয়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এবং তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেন।

পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং একজন মা হিসেবে তিনি এই ঘটনার যন্ত্রণা অনুভব করছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবারের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিনিধি দল ফিরে আসার সময় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছু মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই তাঁকে এলাকা ছাড়তে হয়। অন্যদিকে, মঙ্গলবারই (৭ জুলাই) বারুইপুরে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, তিনি বারুইপুর পুলিশ সুপারের দফতরে গিয়ে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেবেন। পাশাপাশি নিহত নাবালিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দেখা করবেন। উল্লেখ্য, ঘটনার দিনই তিনি ফোনে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte