চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছিল বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানে পুলিশের কড়া নজরদারিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পালিয়ে গেল বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক বন্দি। শনিবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।
পলাতক বন্দির নাম লিটন সরকার (৩৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লিটনের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন থানার উত্তর শরিফাবাদ এলাকায়। ২০১২ সালের একটি ধর্ষণ মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। পাশাপাশি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নিজের মেয়েকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একটি পকসো মামলাও দায়ের হয়। ওই মামলায় ধর্ষণ ও পকসো আইনের একাধিক ধারা যুক্ত রয়েছে।
পিএ-কে গুলি করে খুন, হাসপাতালে পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারীশারীরিক অসুস্থতার কারণে শনিবার লিটনকে চিকিৎসার জন্য বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের বহির্বিভাগে নিয়ে আসা হয়। একটি প্রিজ়ন ভ্যানে করে মোট ১৪ জন বন্দিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল, যার মধ্যে একজন মহিলা বন্দিও ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, হাসপাতালে পৌঁছনোর পর বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে লিটন পুলিশের নজর এড়িয়ে যায়। এর পর হাসপাতালের প্রাচীর টপকে পাশের জঙ্গল এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং সেখান থেকে পালিয়ে যায় বলে অনুমান পুলিশের। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি ধরা পড়তেই তৎপর হয়ে ওঠেন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। ঘটনার খবর পেয়ে বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী হাসপাতালে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। হাসপাতাল চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালানো হলেও শনিবার বিকেল পর্যন্ত পলাতক বন্দির কোনও সন্ধান মেলেনি।

