জ্ঞানেশের আপসারনের দাবিতে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চাইছেন মমতারা
নির্বাচন কমিশনারের আপসারনের দাবিতে এবার উত্তাল দিল্লি। 'ইন্ডি' জোট আন্দোলনে মুখর। সুর ছড়িয়েছেন রাহুল, মমতা। এবার তারা রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ জানাতে চান। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই সরব ইন্ডি জোটের নেতারা।
সম্প্রতি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনের পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধ সুর চড়িয়েছেন রাহুল, মমতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এদিন ইন্ডি জোটের নেতারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে চিঠি পাঠালেন। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ এবং কমিশনের কাজ নিয়ে অভিযোগ জানাতে দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে চান ইন্ডি জোটের নেতারা। আগামিকাল থেকে আগামী তিনদিনের মধ্যে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, অখিলেশ যাদব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ওমর আব্দুল্লা, শরদ পাওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের দলীয় প্রধানরা।
রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে এখনও চিঠির কোনও উত্তর আসেনি। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কী জবাব দেওয়া হয়, সেটাই দেখার।এদিকে, এদিন সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত অভিযান করেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা। এই অভিযানকে ঘিরে শুরু থেকেই টানটান উত্তেজনা ছিল। মাঝপথে তাঁদের আটকে দেওয়া হলে, লাউডস্পিকার হাতে নিয়ে ব্যারিকেডের উপরে উঠে পড়েন রাহুল গান্ধী। অভিষেক-মহুয়াদের আটক করা হলেও, ঘুরপথে নির্বাচন কমিশনে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন রাহুল। তারপর সোজা চলে যান আকাশবাণী ভবনে। সেই থেকে সেখানেই বসেছিলেন তাঁরা। ভিতরে না বসতে দেওয়ায়, গাছতলাতেই বসে পড়েছিলেন রাহুলরা। রাত ৮টা নাগাদ সেখানে উপস্থিত হন ডেরেক ও ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্ররা। তাঁরাও ধর্নায় যোগ দেন।

