Dailyhunt
২১ এপ্রিল পর্যন্ত কি থামবে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ? ট্রাম্পের চাপে কোণঠাঁসা ইরান, পাকিস্তানের 'মাস্টারস্ট্রোকে' আপাতত স্বস্তি!

২১ এপ্রিল পর্যন্ত কি থামবে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ? ট্রাম্পের চাপে কোণঠাঁসা ইরান, পাকিস্তানের 'মাস্টারস্ট্রোকে' আপাতত স্বস্তি!

tips24 1 week ago

ধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধের কালো মেঘ আরও ঘনীভূত। পাকিস্তানে আয়োজিত বহু প্রতীক্ষিত আমেরিকা ও ইরানের 'শান্তি বৈঠক' কোনও স্থায়ী সমাধান ছাড়াই শেষ হয়েছে। পরমাণু অস্ত্র ত্যাগ থেকে শুরু করে ইউরেনিয়াম মজুত কিংবা হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ-প্রতিটি ইস্যুতেই দুই দেশের অনড় অবস্থানে ভেস্তে গেছে আলোচনা।

তবে সমাধান না মিললেও ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কি যুদ্ধের দামামা থামবে? আপাতত এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

চাপে পড়ে পিছু হটল ইরান? ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদের এই ম্যারাথন বৈঠকে আমেরিকার হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। টানা ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরেও তেহরান তাদের ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবিতে অনড় থাকে। ফলে আনুষ্ঠানিক কোনও চুক্তি সই সম্ভব হয়নি। তবে কূটনৈতিক সূত্রের খবর, একটি অলিখিত 'সমঝোতা' কাজ করছে। গত ৭ এপ্রিল যে ১৫ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছিল, তা অন্তত ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের 'জামিনদার' ভূমিকা এই মুহূর্তে ইরানকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তান অনেকটা 'জামিনদার'-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। একদিকে পারস্য উপসাগরে পাকিস্তানি সেনার সক্রিয় উপস্থিতি, অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক চাপ-এই দুইয়ের সাঁড়াশি আক্রমণে তেহরান কার্যত কোণঠাঁসা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সামরিক জোটের শক্তি ইরানকে ভাবিয়ে তুলছে।

ধ্বংসের মুখে ভঙ্গুর অর্থনীতি? বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান ভালো করেই জানে যে ২১ এপ্রিলের পর আলোচনা আর না এগোলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে। যদি ইরানের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হানা জারি থাকে, তবে পাকিস্তান ও আমেরিকা পাল্টা সামরিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। এতে গোটা উপসাগরীয় অঞ্চল যুদ্ধের আগুনে পুড়বে এবং ইরানের এমনিতে 'ভঙ্গুর' অর্থনীতি পুরোপুরি ধসে যেতে পারে।

অস্থায়ী খাঁচায় বন্দি তেহরান আপাতত সৌদি আরব ধৈর্য ধরেছে এবং ইরানও মেপে পা ফেলছে। লক্ষ্য একটাই-২১ এপ্রিল পর্যন্ত আলোচনার সুযোগ জিইয়ে রেখে বড় সংঘাত এড়ানো। তবে প্রশ্ন উঠছে, ২১ তারিখের পর যদি কোনও রফাসূত্র না মেলে, তবে কি ট্রাম্পের 'ভয়ঙ্কর' হুঁশিয়ারিই সত্যি হতে চলেছে? সারা বিশ্বের নজর এখন সেই ডেডলাইনের দিকে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tips 24