Friday, 17 Sep, 3.18 am tips24

হোম
খাওয়া দাওয়া কমে যায় শুধুমাত্র এই ৫টি কারণে..

গাড়ি চলতে যেমন জ্বালানি চাই, শরীরেরও তেমনি লাগে রসদ। এ অনুভূতির পেছনে একসঙ্গে কাজ করে মস্তিষ্ক আর পেট। মস্তিষ্ক থেকে সংকেত আসে-খেতে হবে। পেটের নাড়িভুঁড়ি বলে-খেয়ে নাও। পেট ঠান্ডা তো শরীর ঠিক। কাজেই কারও যদি খিদে না লাগে, বুঝতে হবে যে শরীরের কোথাও গড়বড় হয়েছে। এমন অবস্থা ছোট-বড় যে-কারও হতে পারে। জানা যাক, কেন খিদে পায় না।

1.ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

কিছু ওষুধ আছে, যেগুলো অরুচি তৈরি করে। তখন খেতে ইচ্ছা করে না। বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিফাংগাল ও মাংসপেশি শিথিল করার ওষুধে সাধারণত এই ক্ষুধামান্দ্য তৈরি হয়। মানসিক অবসাদ, মাইগ্রেন ও উচ্চ রক্তচাপের ওষুধেও ক্ষুধামান্দ্য দেখা দিতে পারে। যদি একদমই খেতে না পারেন, তবে জরুরি ভিত্তিতে চিকিত্‍সকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

2.থাইরয়েডজনিত সমস্যা

মানুষের শরীরে খাদ্য কীভাবে শক্তিতে রূপান্তরিত হবে, তা নিয়ন্ত্রণ করে থাইরয়েড হরমোনগুলো। যখন থাইরয়েড গ্রন্থি প্রচুর পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে পারে না, তখন শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম ধীর হয়ে যায়। এর ফলে আপনি কম শক্তি ব্যবহার করেন এবং খিদেও কমে যায়। তবে কম শক্তি ব্যবহারের কারণে আদতে শরীরের ওজন বাড়তে থাকে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিয়ে হরমোন থেরাপি নিতে হবে।

3.মাইগ্রেন

কেউ যদি মাইগ্রেনের ব্যথায় আক্রান্ত হন, তবে তাঁর ক্ষুধামান্দ্য দেখা দিতে পারে। মাইগ্রেনের কারণে বমি বমি ভাবও দেখা দেয়। ব্যথা কমে যাওয়ার পরও অনেক সময় খেতে ইচ্ছে করে না। সাধারণত মাইগ্রেনের ব্যথা কমে যাওয়ার দিন কয়েক পরও ক্ষুধামান্দ্য থেকে যায়।

4. বেশি বয়স ও ডায়াবেটিস

গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ৩০ শতাংশ মানুষের খিদে কমে যায়। নানা কারণেই এটি হতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের গন্ধ শোঁকা, স্বাদ ও দৃষ্টির সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে আসে। এতে খাবারের প্রতি আকর্ষণও কমে যায়। অন্যদিকে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের অনেক স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিছু ক্ষেত্রে পাকস্থলীর পেশি নিয়ন্ত্রণ করা স্নায়ুরও ক্ষতি হয়। এতে খাবারের পরিপাকে সময় বেশি লাগে। এটিও খিদে কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

5. রক্তস্বল্পতা ও ক্যানসার

শরীরে যখন পর্যাপ্ত লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয় না, তখনই রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। লোহিত রক্তকণিকার কাজ হচ্ছে শরীরে অক্সিজেন পরিবহন করা। কারও শরীরে যদি লোহিত রক্তকণিকার অভাব হয়, তবে ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হবে। এতে খিদে কমে যায় আশঙ্কাজনক হারে। কর্কট রোগেও অন্যতম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ক্ষুধামান্দ্য। ক্যানসারের চিকিত্‍সা-পদ্ধতিও এর জন্য দায়ী। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির কারণে শরীরে ব্যথা, বমি বমি ভাবও দেখা দেয়।

Dailyhunt
Disclaimer: This story is auto-aggregated by a computer program and has not been created or edited by Dailyhunt. Publisher: Tips 24
Top